বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে তানোর সাংবাদিক ক্লাব পরিবারের নৌকা ভ্রমণ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত তানোরে নিজ রড-সিমেন্টের দোকানে যাওয়ার পথে নিখোঁজ মিজানুর রহমান বাদশা,উৎকণ্ঠায় পরিবার! তানোরে ইউএনও মাঠতৎপরতায় এলাকাবাসীর প্রশংসায় নাঈমা খান তানোর বরেন্দ্র অঞ্চলে ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে আগাম সবজি চাষ সাংবাদিকদের নিপীড়নের হাতিয়ার হবে না সাইবার সুরক্ষা আইন রাজশাহী ও নাটোর ২৩ পৌরসভার একটিরও ভাগাড় নেই, বর্জ্য ফেলা হয় যেখানে–সেখানে তানোরে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে উদ্ধার করা হয় তাকে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে গুরুত্ব আরোপ প্রধানমন্ত্রীর চরম দুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি,তানোর-মোহনপুর সংযোগ সড়ক এখন মরণফাঁদ

তানোরে অবস্থিত নারায়নপুর স্কুল আকুন্ঠ দুর্নীতিতে নিমজ্জিত

Reporter Name / ৩৪৫
আপডেট : মঙ্গলবার, ২ জুলাই, ২০২৪, ৯:০৪ পূর্বাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক, তানোর :
রাজশাহীর তানোর উপজেলার বাধাইড় ইউনিয়নের নারায়নপুর উচ্চ বিদ্যালয় আকুন্ঠ দুর্নীতিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। স্মার্ট বাংলাদেশে মাধ্যমিক পর্যায়ের কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমন বেহাল দশা দেখে যে কেউ শিঁউরে উঠবে।

একটা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সমান কোনো সুযোগ-সুবিধাও এখানে নাই। সরেজমিন গত ৩০ জুন রোববার দুপুরে দেখা গেছে স্কুলে মাত্র ৯ শিক্ষার্থী রয়েছে, তবে সকল শিক্ষক-কর্মচারী উপস্থিত ছিলো না।

স্কুলে কমনরুম নাই, শিক্ষক আছে কম্পিউটার নাই, লাইব্রেরিয়ান আছে লাইব্রেরী নাই, বঙ্গবন্ধু কর্নার ও বিজ্ঞানাগার নাই, মানসম্মত টয়লেট ও নলকুপ নাই, সিমানা প্রাচীর ও খেলার মাঠ নাই, বেড়া-তাঁটির ঝুঁকিপূর্ণ মাটির ঘরে পড়ানো হচ্ছে।শিক্ষার্থীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পড়ালেখা করছে। জানা গেছে, বিগত ১৯৯২ সালে বিএনপি সরকারের সময়ে রাজনৈতিক বিবেচনায় রাজনৈতিক নেতার ইচ্ছে পুরুণে এই স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়।

বিগত ১৯৯৪ সালে এমপিওভুক্তকরণ করা হয়। স্কুলে শিক্ষক রয়েছে ১২ জন ও কর্মচারী ৫ জন। কম্পিউটার শিক্ষক মুঞ্জুয়ারা নিজেই কম্পিউটার চালাতে পারে না বা দক্ষ নয়। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ তারা দীর্ঘদিন ধরে কম্পিউটার শিক্ষা (হাতে-কলমে) অর্জন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তারা বলেন, সরেজমিন তদন্ত করলেই এই অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে। এছাড়াও স্কুুুলে মাল্টিমিডিয়া ক্লাস নেয়া হয় না।এঘটনায় এলাকার অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে। এদিকে স্কুলের বিভিন্ন অনিয়মের চিত্র তুলে গত বৃহস্প্রতিবার এলাকাবাসি ডাকযোগে স্থানীয় সাংসদ ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

শিক্ষার্থীরা বলেন, কম্পিউটার পরিচালনা করতে না পারলেও সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের যোগসাজশে বসে বসে সরকারি বেতন-ভাতাসহ সকল সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করছেন শিক্ষক যেটা নীতিমালা পরিপন্থী। সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, নীতিমালায় বলা আছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার শিক্ষককে ওয়েবসাইট তৈরীসহ (অনলাইন)-এর যাবতীয় কাজ করতে হবে।এছাড়াও কম্পিউটার শিক্ষক নিয়োগের নীতিমালায় স্পষ্ট বলা আছে সরকার অনুমোদিত চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয় কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও গবেষণা একাডেমি {নেকটার}, জাতীয় কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও গবেষণা একাডেমি {নেকটার বগুড়া}, ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার সায়েন্স এ্যান্ড টেকনোলজি মেহেরপুর, যুবউন্নয়ন অধিদপ্তর {মশরপুর নওগাঁ} এসব প্রতিষ্ঠান থেকে সার্টিফিকেট অর্জনকারীদের এমপিওভুক্ত করা যাবে বলে জানান ডিআইএ কর্মকর্তারা।এক সহকারী শিক্ষক বলেন, শিক্ষক মুুুুঞ্জুয়ারা তেমন কম্পিউটার পরিচালনা করতে না পারায় স্কুলের সিংহভাগ কাজ বাইরে থেকে করতে হয়। এতে একদিকে প্রতিষ্ঠানের যেমন অতিরিক্ত অর্থ খরচ হচ্ছে, অন্যদিকে তেমনি প্রতিষ্ঠানের অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বাইরের মানুষের কাছে চলে যাচ্ছে। তিনি বলেন, কয়েকটি পদে জনবল নিয়োগ দিয়ে স্কুলের উন্নয়নে ৫ লাখ টাকা দেয়া হয়েছিল। কিন্ত্ত একটি টাকারও উন্নয়ন কাজ না করে প্রধান শিক্ষক এসব টাকা নয়ছয় করেছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে স্কুলের প্রধান শিক্ষক আইয়ুব আলী এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কম্পিউটার শিক্ষক সব কাজ পারে না এই অভিযোগ সঠিক নয়,তবে স্কুলে কম্পিউটার রুম না থাকায় বাইরে থেকে কাজ করতে হয়, যেটা অনেক স্কুল করে থাকে।

আর নিয়োগ কিভাবে হয় কারা দেয় সেটা সবাই জানে নিয়োগে কোনো আর্থিক লেনদেন হয়নি।এবিষয়ে লাইব্রেরিয়ান তৌহিদুল ইসলাম মিলন বলেন, স্কুলে লাইব্রেরী না থাকলে সেই দায় তো তার নয়।এবিষয়ে কম্পিউটার শিক্ষক মুুুুঞ্জুয়ারা বলেন, কম্পিউটারের দু’একটা জটিল কাজ বাইরে থেকে করা হয সত্য, তবে ক্লাস না নেয়ার অভিযোগ সঠিক নয়। এবিষয়ে স্কুলের সভাপতি কাউসার আলী বলেন, তিনি নামেই সভাপতি স্কুলের কোনো বিষয়ে তাকে সেইভাবে কিছু জানানো হয় না। এবিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Biggapon

সম্পাদকীয়

প্রকাশক ও সম্পাদক: মোহাঃ সোহানুল হক পারভেজ
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: এম রায়হান আলী

উপদেষ্টা

উপদেষ্টা: মোঃ রুহুল আমিন খন্দকার

আইন উপদেষ্টা : ব্যারিস্টার মোঃ মাহফুজুর রহমান (মিলন) সিনিয়র এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট,

আইন উপদেষ্টা : এ্যাডভোকেট রায়হান কবীর,(পি.পি.) জজ কোর্ট রাজশাহী।

বার্তা বিভাগ

বার্তা সম্পাদক: মোঃ হাফিজুল ইসলাম,

ই-মেইল: jonotarsomoy24@gmail.com,

মোবাইলঃ ০১৭৬১-৮৯৯১১৯, ০১৭৬২-৬৯৬২৭০

প্রধান কার্যালয়

প্রকাশক ও সম্পাদক
মোহাঃ সোহানুল হক পারভেজ

রাজশাহী অফিস: রাণীবাজার, অলোকার মোড়, ঘোড়ামারা, বোয়ালিয়া, রাজশাহী।

Theme Created By ThemesDealer.Com