
স্টাফ রিপোর্টার:
সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলায় মাঠে মাঠে এখন সরিষা ফুলের হলুদ গালিচায় ভরপুর। আর এরই ধারাবাহিকতায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মৌ চাষিরা উক্ত উপজেলায় তাদের মৌমাছির খামার নিয়ে এসে নানা জায়গায় স্থাপন করেছে। এবছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় মধুর গুনগত মান যথেষ্ট ভালো বলে খামারিরা জানিয়েছে।
উল্লাপাড়া উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এবছর সরিষা মৌসুমে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৩৫০ কেজি মধু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্র নির্ধারণ করেছেন।
উল্লাপাড়া উপজেলায় দেশের প্রায় শতকরা ১২-১৩ ভাগ সরিষা উৎপাদন হয়ে থাকে বলে কৃষি কর্মকর্তা জানিয়েছেন। এটা এই অঞ্চলের কৃষকদের দ্বিতীয় অর্থকারি ফসল। তাই বর্ষার পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে সরিষা বপন কার্যক্রম হয়। বর্তমানে পুরো মাঠ হলুদের সমারোহে ভরপুর। মৌয়ালদের মৌ চাষের ফলে একদিকে দেশের যেমন মধুর চাহিদা পুরুন হচ্ছে পাশাপাশি সঠিক পরাগায়নের মাধ্যমে জমিতে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে কৃষি সম্প্রাসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছেন। বিগত ৭ বছর যাবত উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় মৌ চাষিরা তাদের শত-শত মৌ বক্স নিয়ে বিভিন্ন গ্রামে জমিতে স্থাপন করে আসছে। শুরুর দিকে সরিষার ক্ষতি হবে ভেবে কৃষকেরা মৌ বক্স বসাতে আপত্তি করলেও কৃষি অফিসারের পরামর্শে এখন এলাকায় মৌ চাষ খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এবছর উক্ত উপজেলায় প্রায় ২৫০০ মৌ খামারি খামার বসিয়েছে।
এই সকল খামারিদের নিজস্ব তত্ত্বাবধানে রেখে উল্লাপাড়া উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষিত বেকার এবং কর্মজীবী মানুষ তাদের কাছ থেকে খাঁটি মধু সংগ্রহ করে কিছুটা অর্থনৈতিক সচ্ছলতার চেষ্টা করছেন। তেমনি একজন উধুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ হারুন অর রশিদ।
দব্রমূল্যের উর্ধগতির এই বাজারে শিক্ষকতার পাশাপাশি খাঁটি মধু সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্রয় করে পরিবার পরিজন নিয়ে সুখে শান্তিতে জীবন যাপন করছেন।
প্রকাশক ও সম্পাদক: মোহাঃ সোহানুল হক পারভেজ
নির্বাহী সম্পাদক: এম. রায়হান আলী
উপদেষ্টা: মোঃ রুহুল আমিন খন্দকার
বার্তা সম্পাদক: মোঃ হাফিজুল ইসলাম, ই-মেইল: jonotarsomoy24@gmail.com
মোবাইলঃ ০১৭৬১-৮৯৯১১৯, ০১৭৬২-৬৯৬২৭০ ( প্রকাশক ও সম্পাদক)
রাজশাহী অফিস: রাণীবাজার, অলোকার মোড়, ঘোড়ামারা, বোয়ালিয়া, রাজশাহী।
Copyright © 2024 জনতার সময় 24. All rights reserved.