
ধূমকেতু প্রতিবেদক, মহাদেবপুর : নওগাঁর মহাদেবপুরে অধিক লাভের আশায় আলু চাষ করে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। বাজারে আলুর দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় লাভ তো দুরের কথা উৎপাদন খরচই উঠছেনা। মৌসুমের শুরুতেই আলুর এ দরপতনে হতাশ হয়ে পড়েছেন উপজেলার আলুচাষী কৃষকরা। মৌসুমের শুরুতে ১৪০০ থেকে ১৮০০ টাকা মণ দরে আলু বিক্রি হলেও বর্তমানে দরপতনে তা নেমে এসেছে ৬৫০ টাকা থেকে ৭৫০ টাকায়। গতকাল শুক্রবার উপজেলা সদরের আলুর পাইকারি বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জাতভেদে প্রতিমণ আলু ৬৫০ টাকা থেকে ৭৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
আলু বিক্রি করতে আসা সুলতানপুর গ্রামের কৃষক জয়ন্ত কুমার জানান, এ দামে আলু বিক্রি করে উৎপাদন খরচই উঠছে না। তিনি বলেন আরো বলেন এ বছর প্রতি বিঘা জমিতে আলু চাষ করতে সার বীজ কীটনাশকসহ ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। কিন্তু বর্তমান বাজারে আলু বিক্রি করে প্রতি বিঘায় পাওয়া যাচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা। এ হিসাবে দেখা যাচ্ছে প্রতি বিঘা জমিতে আলু চাষ করে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত লোকসান গুনতে হচ্ছে কৃষকদের। সূত্র জানায়, অনেক কৃষক ঋণ নিয়ে বা বাঁকীতে আলু বীজ নিয়ে আলু চাষ করেছেন। এ ঋণ পরিশোধ করতে তারা কম দামে আলু বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। গত বছর ব্যাপক হারে আলুর দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় অধিক লাভের আশায় অনেক কৃষক এবার আলু চাষে ঝুঁকেছেন। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে উপজেলায় এবার ১ হাজার ৮শ ৫ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল।তবে এই লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি জমিতে এবার আলুর আবাদ হয়েছে। চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৪৩ হাজার ৬শ মেঃ টনঃ আলু উৎপাদন হবে বলে আশা করছে স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। উপজেলা কৃষি অফিসার হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদ বলেন, উপজেলা কৃষি অফিস থেকে আলু চাষে সব ধরণের সহযোগিতা প্রদান করা হয়েছে।
কৃষি অফিসের সহযোগিতা ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার আলুর ফলনও ভালো হয়েছে, তবে এ দামে আলু বিক্রি করলে কৃষকের কিছুটা লোকসান হবে বলেও তিনি জানান।#
প্রকাশক ও সম্পাদক: মোহাঃ সোহানুল হক পারভেজ
নির্বাহী সম্পাদক: এম. রায়হান আলী
উপদেষ্টা: মোঃ রুহুল আমিন খন্দকার
বার্তা সম্পাদক: মোঃ হাফিজুল ইসলাম, ই-মেইল: jonotarsomoy24@gmail.com
মোবাইলঃ ০১৭৬১-৮৯৯১১৯, ০১৭৬২-৬৯৬২৭০ ( প্রকাশক ও সম্পাদক)
রাজশাহী অফিস: রাণীবাজার, অলোকার মোড়, ঘোড়ামারা, বোয়ালিয়া, রাজশাহী।
Copyright © 2024 জনতার সময় 24. All rights reserved.