স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহীর তানোর পৌর সদরে কোটি টাকা মূল্যের জায়গা দখল করে পাকা দোকান নির্মাণ করেছেন জেলা কৃষক দলের নেতা আব্দুর রশিদ ও বাজার বনিক সমিতির নেতারা বলে অভিযোগ উঠেছে। মহাউৎসবে হাটের জায়গা প্লাট ফরম দখল করে স্থাপনা নির্মাণ হলেও রহস্য জনক কারনে নির্বিকার হয়ে আছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষরা। এতে করে একদিকে যেমন সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব ঠিক একই ভাবে সবকিছু দখল হওয়ার কারনে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের মাঝে বাড়ছে ক্ষোভ। বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময় একই কায়দায় দলীয় নেতারা হাটের জায়গা নিয়ে রমরমা বানিজ্য করেছেন। সেই একই কায়দায় এখন দলীয় নেতারা দখল নিয়ে বানিজ্যে মেতে উঠেছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, গোল্লাপাড়া খাদ্য গুদামে যাওয়ার আরসিসি রাস্তার উত্তর দিকে বনিক সমিতির কার্যালয়ের সামনে গ্যারেজের নাম করে পাকা দোকান নির্মাণ করে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ভাড়া দিয়েছে। ওই ঘরের পূর্ব দিকে জেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহবায়ক কুঠিপাড়া গ্রামের আব্দুর রশিদ পাকা দোকান নির্মাণ করে ভাড়া দিয়েছে। এছাড়াও পাবলিক টয়লেট ঘেষে পূর্ব দিকে বিএনপির দলীয় কার্যালয় নির্মান করা হয়েছে। হাটের বিশাল আয়তনের জায়গা দখল করে বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময় দলীয় কার্যালয় নির্মান করা হয়। সরকারি বরাদ্দে ওই সময় আ”লীগের পার্টি অফিস নির্মাণ করা হয়েছিল। তবে পাকা ওয়ালে টিন দিয়ে ছাওয়া আছে। পতনের পর টিনগুলো ভাঙা অবস্থায় রয়েছে। পার্টি অফিস ঘেষে টিনের দোকান দেয়া হয়েছে।
হাটের ভিতরে প্লাট ফরমের ফাকা জায়গাগুলো ঘিরে ফেলে প্রদীপসহ অনেকে। হাটের তীল পরিমান জায়গা ফাঁকা নেই। কোন জায়গা ফাঁকা থাকলেই রাতারাতি ঘর নির্মাণ হয়ে পড়ছে। যেন জায়গাগুলো হাট কর্তৃপক্ষের। এর আগেও দলীয় প্রভাবে একজনের নামে কয়েকটি ঘর বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সেই ঘরের পজিশন বিক্রি পর্যন্ত করা হয়েছে বা এখনো হচ্ছে। সরকারের জায়গা হলেও ইজারাদার, দলীয় নেতা ও বনিক সমিতিই মুল কারিগর।
তানোর সদর তহসিল অফিসের নায়েব তানভীর জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ নির্দেশ দিলে সে মোতাবেক কাজ করা হবে। কারন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ ছাড়া কিছুই করনীয় নাই।
প্রকাশক ও সম্পাদক: মোহাঃ সোহানুল হক পারভেজ
নির্বাহী সম্পাদক: এম. রায়হান আলী
উপদেষ্টা: মোঃ রুহুল আমিন খন্দকার
বার্তা সম্পাদক: মোঃ হাফিজুল ইসলাম, ই-মেইল: jonotarsomoy24@gmail.com
মোবাইলঃ ০১৭৬১-৮৯৯১১৯, ০১৭৬২-৬৯৬২৭০ ( প্রকাশক ও সম্পাদক)
রাজশাহী অফিস: রাণীবাজার, অলোকার মোড়, ঘোড়ামারা, বোয়ালিয়া, রাজশাহী।
Copyright © 2024 জনতার সময় 24. All rights reserved.