
ইব্রাহিম সরকার, লালমনিরহাট:এমন জারত ঘর থাকি বের হওয়া যায় না বাবা। বের হলে ঠান্ডা বাতাস গাওত খালি লাগে, মনে হয় জীবনটাই বের হয়ে যায়। মোক একান কম্বল দেন বাহে মুই আর কয়দিন বাঁচিম।এ ভাবেই আঞ্চলিক ভাষায় কথা গুলো বলছিলেন লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের রায়পাড়া এলাকার বাসিন্দা ৭৫ বছর বয়সী বৃদ্ধা ননী বালা। শুধু ননী বালা নন,এমন আহাজারি শোনাযাচ্ছে হাজারো শীতার্ত মানুষের কন্ঠে, কেউ কেউ আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে। বিশেষ করে তিস্তা নদীর চর অঞ্চলের খেটে খাওয়া মানুষজন দিন কাটাচ্ছে চরম কষ্টে। পৌষের ১০ দিন না যেতেই হার কাপানো কনকনে ঠান্ডা আর ঘন কুয়াশায় লালমনিরহাটের জনজীবন কার্যত স্থবিত হয়ে পড়েছে। রাতে কুয়াশা ঋরে বৃষ্টির মতো। উত্তরের হিমেল বাতাসে গ্রাম থেকে শহর সব খানেই মানুষ জুবুথুবু হয়ে পড়ছে। বিশেষ করে নদীতীরবর্তী চরাঞ্চল ও প্রান্তিক গ্রামগুলোতেই শীত মানেই অসহায়তার আরেক নাম। আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের বেশির ভাগ এলাকাই তিস্তা নদীর চর। এখানে শীত যেন আরও নির্দয়।খোলা প্রান্তর, নদীর হাওয়া আর কুয়াশার ভেজা ঠান্ডা একসঙ্গে মানুষের শরীল ও মন কাঁপিয়ে দিচ্ছে। এই শীতে বেশি ঋুঁকিতে রয়েছে শিশু ও বয়স্করা। তিস্তার চরে অনেক দরিদ্র পরিবারে নেই পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র। রাতে আগুন জ্বালিয়ে,খড়কুটো জরো করে কিংবা ১টি কম্বল ভাগাভাগি করেই পুরো পরিবারকে কাটাতে হচ্ছে রাত, শিশু ও বয়স্কদের চোঁখে মুভে ক্লান্তি আর ভয়,এই শীত কতটা সয্য করা যাবে।
প্রকাশক ও সম্পাদক: মোহাঃ সোহানুল হক পারভেজ নির্বাহী সম্পাদক: টিপু সুলতান, বার্তা সম্পাদক: হাফিজুল ইসলাম, রাজশাহী অফিস: রাণীবাজার, অলোকার মোড়, ঘোড়ামারা, বোয়ালিয়া, রাজশাহী। মোবাইলঃ ০১৭৬১-৮৯৯১১৯, ০১৭৬২-৬৯৬২৭০ ই-মেইল: jonotarsomoy24@gmail.com
Copyright © 2024 জনতার সময় 24. All rights reserved.