
স্টাফ রিপোর্টার:রাজশাহীর তানোরে এক বিএনপি নেতা এবং কলেজের প্রভাষকের বিরুদ্ধে মসজিদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।অভিযুক্ত নেতা কামারগাঁ ইউনিয়ন ইউপি বিএনপির সভাপতি জাহিদ হোসেন। তার বাড়ি ধানোরা গ্রামে এবং তিনি তানোর (চাপড়া) মহিলা কলেজের প্রভাষক হিসেবে কর্মরত। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়েছে, বিশেষ করে মসজিদ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এবং সাধারণ মানুষদের মধ্যে।জানা গেছে, প্রায় দুই বছর আগে ধানোরা জামে মসজিদে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে জমি বন্ধক রাখা হয়। বন্ধক রাখার পর থেকে ওই জমির ফসল বা অর্থ মসজিদে প্রদান করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা জানান, জাহিদ হোসেন ওই এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি হওয়ায় কেউ প্রতিবাদ বা মুখ খুলতে সাহস পাননি।স্থানীয়রা আরও অভিযোগ করেছেন, নিজের জমি মসজিদের নামে বন্ধক রাখার পর থেকে প্রভাষক জাহিদ জমির ধান বা সমপরিমাণ টাকা প্রদান করছেন না। একাধিকবার অনুরোধ করা হলেও তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি। এ ঘটনায় পুরো গ্রামের লোকজন তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।তারা প্রশ্ন তুলেছেন, মসজিদের টাকা আত্মসাতের এমন অভিযোগ থাকা অবস্থায় প্রভাষক জাহিদ কিভাবে রাজনৈতিক নেতৃত্ব দিতে পারছেন এবং কেন তাকে দলীয় পদ দিয়েছে।স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের ঘটনায় ধানোরা স্কুল কেন্দ্রের ধানের শীষ প্রার্থীর ভোটের ফলেও প্রভাব পড়েছে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগটি পোস্ট করা হয়। এ বিষয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতা ওষুধ ব্যবসায়ী ডায়মন্ড জানান, কামারগাঁ ইউনিয়ন ইউপিতে বিএনপির দুইটি কমিটি রয়েছে। এতে দুজন সভাপতি এবং দুজন সম্পদক রয়েছেন। ভোটের সময় এক কমিটি হিসেবে কাজ হয়েছে, কিন্তু বর্তমানে দুই কমিটিই বহাল রয়েছে। একজন সভাপতির নাম খলিল, অন্যজন প্রভাষক জাহিদ।ধানোরা জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি খাজেম আলী জানিয়েছেন, বিগত দুই বছর ধরে জাহিদ মসজিদে কোনো টাকা প্রদান করেননি এবং জমির ফসলও দেননি। এ বিষয়ে একাধিকবার বলা হলেও তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি। তিনি জানান, ওমরায় থাকা আবদুল জলিল দেশে ফিরে যাবতীয় ব্যবস্থা নেবেন।অভিযোগের বিষয়ে বিএনপি নেতা ও প্রভাষক জাহিদ হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, মসজিদ একাউন্টে টাকা জমা দেওয়া আছে। আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।কিন্তু পুনরায় মসজিদ কমিটির সভাপতির সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, একাউন্টে কোনো টাকা জমা দেওয়া হয়নি। টাকা জমা দিলে কেন আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে? বিষয়টি নিয়ে আমাদের সঙ্গে কোনো সমঝোতা নেই।
প্রকাশক ও সম্পাদক: মোহাঃ সোহানুল হক পারভেজ
নির্বাহী সম্পাদক: এম. রায়হান আলী
উপদেষ্টা: মোঃ রুহুল আমিন খন্দকার
বার্তা সম্পাদক: মোঃ হাফিজুল ইসলাম, ই-মেইল: jonotarsomoy24@gmail.com
মোবাইলঃ ০১৭৬১-৮৯৯১১৯, ০১৭৬২-৬৯৬২৭০ ( প্রকাশক ও সম্পাদক)
রাজশাহী অফিস: রাণীবাজার, অলোকার মোড়, ঘোড়ামারা, বোয়ালিয়া, রাজশাহী।
Copyright © 2024 জনতার সময় 24. All rights reserved.