বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে তানোর সাংবাদিক ক্লাব পরিবারের নৌকা ভ্রমণ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত তানোরে নিজ রড-সিমেন্টের দোকানে যাওয়ার পথে নিখোঁজ মিজানুর রহমান বাদশা,উৎকণ্ঠায় পরিবার! তানোরে ইউএনও মাঠতৎপরতায় এলাকাবাসীর প্রশংসায় নাঈমা খান তানোর বরেন্দ্র অঞ্চলে ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে আগাম সবজি চাষ সাংবাদিকদের নিপীড়নের হাতিয়ার হবে না সাইবার সুরক্ষা আইন রাজশাহী ও নাটোর ২৩ পৌরসভার একটিরও ভাগাড় নেই, বর্জ্য ফেলা হয় যেখানে–সেখানে তানোরে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে উদ্ধার করা হয় তাকে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে গুরুত্ব আরোপ প্রধানমন্ত্রীর চরম দুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি,তানোর-মোহনপুর সংযোগ সড়ক এখন মরণফাঁদ

রামেক হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে নার্স-পুলিশ হাতাহাতি

Reporter Name / ১৩১
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:১২ অপরাহ্ন

রাজশাহী ব্যুরো:রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এক সিনিয়র স্টাফ নার্স ও এক পুলিশ কনস্টেবলের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।সোমবার (২৮ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে হাসপাতালের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের অর্থোসার্জারি ইউনিট-২ -এর ডেন্টাল বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, নগরির শাহমখদুম থানায় কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল আমিনুল ইসলাম তাঁর মা নূরেসা বেগমকে দাঁতের সমস্যা জনিত কারণে হাসপাতালে ভর্তি করেন। তবে চিকিৎসা শুরু হওয়ার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তোলেন আমিনুল ইসলাম। যদিও অভিযুক্ত ব্রাদার রাকিব আহম্মেদ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোগীর মৃত্যুর পর চিকিৎসা নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে কনস্টেবল আমিনুল ও ব্রাদার রাকিবের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। পরে অন্যান্য নার্স ও স্টাফরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন এবং আমিনুল ইসলামকে আটকে রাখা হয়। খবর পেয়ে হাসপাতালের পুলিশ বক্স থেকে সদস্যরা এসে তাকে নিয়ে যান। পরবর্তীতে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা ও হাসপাতাল পরিচালকের উপস্থিতিতে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়। মধ্যরাতে তিনি মায়ের লাশ নিয়ে বাড়ি ফিরে যান।ঘটনার বিষয়ে কনস্টেবল আমিনুল ইসলাম বলেন, মায়ের চোয়াল বসে গিয়ে মুখ বেঁকে যাওয়ার পর তিনি জরুরি বিভাগে নেন। সেখান থেকে অপারেশন থিয়েটার হয়ে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে পাঠানো হয়। তিনি দাবি করেন, দায়িত্বরত কেউই প্রাথমিক সহায়তা দিতে রাজি হননি, যা নিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে ব্রাদার রাকিব আহম্মেদ বলেন, রোগীকে আনার সময়ই তাঁর শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন ছিল এবং তিনি কোনো সাড়া পাচ্ছিলেন না। বিষয়টি জানানোর পরই কনস্টেবল আমিনুল তার ওপর শারীরিকভাবে হামলা করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে আরও জানা যায়, ঘটনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মামলা করার কথা বিবেচনা করলেও পরে সমঝোতার মাধ্যমে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়। তবে এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাকিব আহম্মেদ নগর পুলিশ কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।শাহমখদুম থানার ওসি কবির হোসেন বলেন, মায়ের মৃত্যুর ঘটনায় উত্তেজনা থেকে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এ ধরনের আচরণ অনাকাঙ্ক্ষিত। যেহেতু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি পুলিশ সদস্য, তাই তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Biggapon

সম্পাদকীয়

প্রকাশক ও সম্পাদক: মোহাঃ সোহানুল হক পারভেজ
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: এম রায়হান আলী

উপদেষ্টা

উপদেষ্টা: মোঃ রুহুল আমিন খন্দকার

আইন উপদেষ্টা : ব্যারিস্টার মোঃ মাহফুজুর রহমান (মিলন) সিনিয়র এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট,

আইন উপদেষ্টা : এ্যাডভোকেট রায়হান কবীর,(পি.পি.) জজ কোর্ট রাজশাহী।

বার্তা বিভাগ

বার্তা সম্পাদক: মোঃ হাফিজুল ইসলাম,

ই-মেইল: jonotarsomoy24@gmail.com,

মোবাইলঃ ০১৭৬১-৮৯৯১১৯, ০১৭৬২-৬৯৬২৭০

প্রধান কার্যালয়

প্রকাশক ও সম্পাদক
মোহাঃ সোহানুল হক পারভেজ

রাজশাহী অফিস: রাণীবাজার, অলোকার মোড়, ঘোড়ামারা, বোয়ালিয়া, রাজশাহী।

Theme Created By ThemesDealer.Com