বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে তানোর সাংবাদিক ক্লাব পরিবারের নৌকা ভ্রমণ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত তানোরে নিজ রড-সিমেন্টের দোকানে যাওয়ার পথে নিখোঁজ মিজানুর রহমান বাদশা,উৎকণ্ঠায় পরিবার! তানোরে ইউএনও মাঠতৎপরতায় এলাকাবাসীর প্রশংসায় নাঈমা খান তানোর বরেন্দ্র অঞ্চলে ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে আগাম সবজি চাষ সাংবাদিকদের নিপীড়নের হাতিয়ার হবে না সাইবার সুরক্ষা আইন রাজশাহী ও নাটোর ২৩ পৌরসভার একটিরও ভাগাড় নেই, বর্জ্য ফেলা হয় যেখানে–সেখানে তানোরে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে উদ্ধার করা হয় তাকে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে গুরুত্ব আরোপ প্রধানমন্ত্রীর চরম দুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি,তানোর-মোহনপুর সংযোগ সড়ক এখন মরণফাঁদ

গোদাগাড়ীতে মাদক মামলার ভয় দেখিয়ে হয়রানির অভিযোগ

Reporter Name / ১৮৮
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ২:৪১ অপরাহ্ন

রাজশাহী প্রতিনিধিঃরাজশাহীর গোদাগাড়ী মডেল থানার দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মাদক মামলার ভয় দেখিয়ে হয়রানি ও ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই জুয়েল রানা ও সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মজনু মিয়ার বিরুদ্ধে ডিআইজি, রাজশাহী রেঞ্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীর জামাতা।৬ মে (বুধবার) দেওয়া ওই অভিযোগপত্রে গোদাগাড়ী পৌরসভার রামনগর মহল্লার বাসিন্দা মো. কামরুজ্জামান উল্লেখ করেন, গত ৩ মে রোববার বিকাল আনুমানিক ৫টার দিকে সাদা পোশাকে এসআই জুয়েল রানা ও এএসআই মজনু মিয়া পৌরসভার বেলতলা মহল্লায় তার শ্বশুর বাবুল আখতারের বাড়িতে যান।এসময় দুই পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আখতারকে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত বলে উল্লেখ করে জাতীয় পরিচয়পত্র দাবি করেন। এনআইডি না দিলে তারা জোরপূর্বক মোবাইলে ছবি তোলেন এবং জরুরি ভিত্তিতে থানায় গিয়ে ওসির সাথে দেখা করতে বলেন। এ সময় তারা ভয়ভীতি দেখিয়ে চরম আতঙ্কজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি করেন বলে দাবি করা হয়।কামরুজ্জামানের দাবি, তার শ্বশুর বাবুল আখতার একজন শ্রমজীবী মানুষ। তিনি ঢাকায় নির্মাণ শ্রমিক সরবরাহের ঠিকাদারি করেন এবং এলাকায় থাকেন না। তিনি কখনোই মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলেন না এবং তার বিরুদ্ধে পূর্বে কোনো জিডি বা মামলাও নেই।অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তা থানার ওসি আতিকুর রহমানের অনুমতি না নিয়ে বাড়িতে গিয়েছেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে এসআই জুয়েল রানার সাথে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ‘থানায় গিয়ে সরাসরি কথা বলতে’ বলেন। সেই কথোপকথনের অডিও রেকর্ড সংরক্ষিত আছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।অভিযোগকারী কামরুজ্জামান বলেন, “এ ঘটনার পর থেকে আমরা চরম আতঙ্কের মধ্যে আছি। যেকোনো সময় মাদক উদ্ধারের নাটক সাজিয়ে আমাদের ক্ষতিগ্রস্ত করা হতে পারে। আমরা নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা চাই।”এএসআই মজনু বলেন, আমাকে সেকেন্ড স্যার (এসআই জুয়েল) নিয়ে গেছে।আপনারা তার সাথে কথা বলেন এবং ওসির সাথে কথা বলেন। আমি কারও কাছে টাকা পয়সা চাইনি। যা বলার সেকেন্ড স্যারকে ( এসআই জুয়েল) বলেন।এ বিষয়ে গোদাগাড়ী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, আইডি কার্ড নিয়ে আমার সাথে দেখা করার জন্য আমি কাউকে কোনো নির্দেশ দেইনি। এসআই জুয়েল কেন এমনটি করেছেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলমান আছে। তালিকাভুক্ত কারবারিদের আইনের আওতায় আনা হবে। তবে প্রচলিত নিয়মের বাইরে কাউকে থানায় ডাকার বিষয়ে আমার কোনো নির্দেশনা নেই। পরে এসআই জুয়েলের সাথে থাকা এএসআই মজনুকে ডেকে শাষিয়েছেন ওসি।তিনি বলেন, যে কাজ দিয়েছি সেই কাজ করেন। আপনাদের বলেছি আমি যে, আমার সাথে দেখা করার কথা। যা বলেছি তাই করেন। বেশি কিছু কইরেন না।এসআই জুয়েল রানা বলেন, ওসি স্যারের নির্দেশ মাদক কারবারি থানায় ডাকা হয়েছিলো। আমি কারো নিকট অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Biggapon

সম্পাদকীয়

প্রকাশক ও সম্পাদক: মোহাঃ সোহানুল হক পারভেজ
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: এম রায়হান আলী

উপদেষ্টা

উপদেষ্টা: মোঃ রুহুল আমিন খন্দকার

আইন উপদেষ্টা : ব্যারিস্টার মোঃ মাহফুজুর রহমান (মিলন) সিনিয়র এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট,

আইন উপদেষ্টা : এ্যাডভোকেট রায়হান কবীর,(পি.পি.) জজ কোর্ট রাজশাহী।

বার্তা বিভাগ

বার্তা সম্পাদক: মোঃ হাফিজুল ইসলাম,

ই-মেইল: jonotarsomoy24@gmail.com,

মোবাইলঃ ০১৭৬১-৮৯৯১১৯, ০১৭৬২-৬৯৬২৭০

প্রধান কার্যালয়

প্রকাশক ও সম্পাদক
মোহাঃ সোহানুল হক পারভেজ

রাজশাহী অফিস: রাণীবাজার, অলোকার মোড়, ঘোড়ামারা, বোয়ালিয়া, রাজশাহী।

Theme Created By ThemesDealer.Com