
স্টাফ রিপোর্টার:রাজশাহী তানোর উপজেলায় ৬ ভরি স্বর্ণালংকার ও ১০ লাখ টাকা নিয়ে গভীর রাতে স্ত্রী পলাতক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের।অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে,মোসা: শাবানা বেগম (২৬)পিতাঃ মোহাম্মদ মমিন মন্ডল ২।মোহাম্মদ মমিন মন্ডল (৫০),মতিন মন্ডল (৪৫),উভয় পিতা মোঃ জলিল মন্ডল, ৪।মো: আলিফ(২২),৫।মোসা:লাইলা (২০),৬।মিম(১৮),সকলের পিতা মোঃ মুকুল ধাওয়া,সর্ব সাং বিল্লি: ডাকঘর:চৌরখোর থানা তানোর রাজশাহীগনের বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বলেন ,১ নং বিবাদী আমার স্ত্রী ও ২ নং বিবাদী আমার শ্বশুর ৩ নং বিবাদী আমার শ্বশুরের ভাই ৪ নং বিবাদী আমার স্ত্রীর মামাতো ভাই ৫ ও ৬ নং বিবাদী আমার স্ত্রীর মামাতো বোন হইতেছে। আনুমানিক তিন বছর পূর্বে ১ নং বিবাদী আমার স্ত্রী শাবানা বেগমের সাথে ইসলামী শরিয়া মোতাবেক পারিবারিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়।আনুমানিক তিন মাস পূর্বে অন্যান্য বিবাদী গনের পরামর্শ ১ নং বিবাদী আমার স্ত্রী শাবানা বেগম আমার কষ্টের অর্জিত নগদ ১০ লক্ষ টাকা ও ৬ ভরি স্বর্ণ অলংকার এবং ঘরের আসবাবপত্র বাবদ আরো আনুমানিক ১০ লক্ষ টাকা আমার বাড়ি হইতে তার পিতার বাড়িতে নিয়ে আসেন। পরবর্তীতে আমি লোক মারফত খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারি। আমার স্ত্রী শাবানা বেগম একজন খারাপ প্রকৃতির মহিলা সে বিভিন্ন রকমের অনৈতিক কাজ ও দেহ ব্যবসার সাথে জড়িত। এমনকি তাকে দৌলোদিয়া যৌনপল্লীতে দেখা গেছে। এমত অবস্থায় ৯ মে ২০২৬ তারিখ বিকাল অনুমান ৩ টা৪০ মিনিটের ঘটিকার সময় ১ নং বিবাদী তানোর উপজেলার ১ নং কলমা বিল্লি গ্রামে তার নিজ বাড়িতে পরকীয়া প্রেমিকের সাথে অবৈধ কার্যকলাপের সময় চৌকিদারের হাতে ধরা পড়েন। পরবর্তীতে উপরোক্ত বিবাদীর সহযোগিতায় ১ নং বিবাদী আমার স্ত্রী শাবানা বেগম পরকীয়া প্রেমিককে নিয়ে পালিয়ে যায়। আমি বহুবার বিবাদীকে ফোন দিয়েছি কিন্তু বিবাদী আমার কোন ফোন রিসিভ করছে না। এ নিয়ে ভুক্তভোগী ব্যক্তি ফরিদ আলী এ প্রতিবেদককে বলেন,আমার বাড়ি সিরাজগঞ্জে,২০২২ সালে পারিবারিকভাবে সাবানা বেগমের সাথে আমি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই। আমি বিয়ে করার পর ঢাকাতে চাকুরীকালীন আমার স্ত্রী আমার বৃদ্ধ মায়ের সাথে থাকেন, ৯ মে ২০২৬ নিজ বাড়ি থেকে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে গেছেন আমার স্ত্রী শাবানা বেগম। এ নিয়ে আমার বাড়ির সংসারের যা কিছু ছিল সবই তছনছ হয়ে গেছে। আমি এখন নিরুপায়,তিনি কান্নায় জর্জরিত হয়ে আরো বলেন,আমি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল পুলিশ প্রশাসন যেন আমার অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেন,বলে তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।এ বিষয়ে সাবানা বেগম সহ আসামি গনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তাদের মুঠোফোন ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।এ বিষয়ে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস.এম মাসুদ পারভেজ বলেন,অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।
প্রকাশক ও সম্পাদক: মোহাঃ সোহানুল হক পারভেজ নির্বাহী সম্পাদক: টিপু সুলতান, বার্তা সম্পাদক: হাফিজুল ইসলাম, রাজশাহী অফিস: রাণীবাজার, অলোকার মোড়, ঘোড়ামারা, বোয়ালিয়া, রাজশাহী। মোবাইলঃ ০১৭৬১-৮৯৯১১৯, ০১৭৬২-৬৯৬২৭০ ই-মেইল: jonotarsomoy24@gmail.com
Copyright © 2024 জনতার সময় 24. All rights reserved.