
সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি :এবার সমতলের মাটিতে সবুজ পাতার ফাঁকে দোল খাচ্ছে টসটসে লাল-সবুজ মিষ্টি আঙুর। এতোদিন দেশের বাজারে বিদেশ থেকে আসলেও এখন সেই আঙুরই ফলছে নাটোর জেলায় সমতলের মাটিতে। কৃষিনির্ভর জেলা উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল নাটোর এখানকার মাটিতে ইতোমধ্যে সফল হয়েছে পেয়ারা, কলা ও ড্রাগন ফলের চাষ। এবার সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় নাটোর কান্দিভিটা ও সিংড়া উপজেলা চামারী ইউনিয়ন বাহাদুরপুর কান্দিপাড়া গ্রামে পরীক্ষামূলকভাবে গড়ে তোলা হয়েছে দুইটি আঙুর বাগান প্রায় ৫৪ শতক জমির ওপর গড়ে ওঠা বাগানটিতে রয়েছে বাইনকুর জাতের সহ ৫ জাতের আঙুর গাছ মাত্র ১০ মাস বয়সেই অধিকাংশ গাছে ফল এসেছে থোকায়, থোকায়। নাটোর কান্দিভিটা আঙুর বাগানের উদ্যোক্তা আমজাদ আলী বলেন দেশের মাটিতে মিষ্টি আঙ্গুল ফল চাষ করা যায় আমাকে দেখে যেন, আরো অন্য কেউ উদ্যোগ নিয়ে চাষ করতে পারেন। বাহাদুরপুর গ্রামের বাগানটির উদ্যোক্তা আঃ আজিজ আলী মাস্টার,বলেন চাকরির পাশাপাশি নিজ এলাকায় নিজেই পুরো বাগানের পরিচর্যার দায়িত্ব পালন করছি এবং সম্পূর্ণ অর্গানিক পদ্ধতিতে চাষ করা এই বাগানে এখন পর্যন্ত আমার ১৬ শতাংশ আঙুর বাগান জমিতে খরচ হয়েছে প্রায় এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা। তবে ফলন দেখে অনেক আশাবাদী উদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্টরা,দুই বাগানের উদ্যোক্তা আরও বলেন বাগানটি দেখতে দূরদূরান্ত থেকে প্রতিদিন শত শত মানুষ আসে দেখতে, যারা আসেন প্রতিজনকেই আঙ্গুর ফল দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়, এইজন্য যে,সবাই যেন খেয়ে বুঝতে পারে দেশের মাটিতে আঙ্গুর ফল মিষ্টি সু-স্বাদ হয়। সবুজ পাতার আড়ালে ঝুলে থাকা প্রতিটি আঙুরের থোকা যেন এক একটি সম্ভাবনার গল্প।যে গল্প হয়তো আগামী দিনে উত্তাঞ্চলের কৃষকদের জন্য খুলে দিতে পারে আয়ের নতুন দুয়ার এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সমতলের মাটিতে আঙ্গুর চাষে সফলতা আগে চোখে না পড়ায় প্রতিদিনই দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন বাগানটিত দেখতে, কেউ ছবি তুলছেন কেউ শুনতে চাচ্ছে আঙ্গুর চাষের খুঁটিনাটি জানতে। দেশের আঙ্গুরের ব্যাপক চাহিদা থাকলেও এর বড় অংশ আমদানি করতে হয় বিদেশে থেকে কৃষি বিভাগ বলেছেন স্থানীয়ভাবে আঙ্গুর চাষে উৎপাদন বাড়ানো গেলে, কমবে আমদানি নির্ভরতা বাড়বে কৃষকের আয় পাশাপাশি তৈরি হবে নতুন অর্থনীতির সম্ভাবনা ,সবুজ পাতার আড়ালে ঝুলে থাকা প্রতিটি আঙুরের থোকা যেন এক একটি সম্ভাবনার গল্প। যে গল্প হয়তো আগামী দিনে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে কৃষকদের জন্য খুলে দিতে পারে আয়ের নতুন দুয়ার এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রকাশক ও সম্পাদক: মোহাঃ সোহানুল হক পারভেজ নির্বাহী সম্পাদক: টিপু সুলতান, বার্তা সম্পাদক: হাফিজুল ইসলাম, রাজশাহী অফিস: রাণীবাজার, অলোকার মোড়, ঘোড়ামারা, বোয়ালিয়া, রাজশাহী। মোবাইলঃ ০১৭৬১-৮৯৯১১৯, ০১৭৬২-৬৯৬২৭০ ই-মেইল: jonotarsomoy24@gmail.com
Copyright © 2024 জনতার সময় 24. All rights reserved.