বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে তানোর সাংবাদিক ক্লাব পরিবারের নৌকা ভ্রমণ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত তানোরে নিজ রড-সিমেন্টের দোকানে যাওয়ার পথে নিখোঁজ মিজানুর রহমান বাদশা,উৎকণ্ঠায় পরিবার! তানোরে ইউএনও মাঠতৎপরতায় এলাকাবাসীর প্রশংসায় নাঈমা খান তানোর বরেন্দ্র অঞ্চলে ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে আগাম সবজি চাষ সাংবাদিকদের নিপীড়নের হাতিয়ার হবে না সাইবার সুরক্ষা আইন রাজশাহী ও নাটোর ২৩ পৌরসভার একটিরও ভাগাড় নেই, বর্জ্য ফেলা হয় যেখানে–সেখানে তানোরে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে উদ্ধার করা হয় তাকে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে গুরুত্ব আরোপ প্রধানমন্ত্রীর চরম দুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি,তানোর-মোহনপুর সংযোগ সড়ক এখন মরণফাঁদ

তানোর উপজেলা থেকে বিলুপ্তির পথে বিরল পাখি: শৈশবের কুসংস্কারের স্মৃতি ফিরে এল

Reporter Name / ৫৯
আপডেট : শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৫:৫১ অপরাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে এক সময় হঠাৎ করে আকাশে দেখা যেত বিশালাকৃতির এক রহস্যময় পাখি। স্থানীয়ভাবে একে অনেকে ডাকত চোখনিয়া পাখি বা পেঁচা জাতীয় শিকারি পাখি (ঈগল/শকুন) নামে। ছোটবেলায় এই পাখি দেখলেই অনেকেই ভয়ে চোখে হাত দিয়ে চোখ ঢেকে রাখতেন। কারণ গ্রামবাংলায় দীর্ঘদিন ধরে একটি কুসংস্কার প্রচলিত ছিল— “এই পাখি নাকি মানুষের চোখ তুলে নিয়ে যায়!
বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি আসলে চোখ তোলার মতো বিপজ্জনক নয়। বরং প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় এরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বড় শিকারি পাখি যেমন শকুন, চিল বা ঈগল, এরা মূলত মৃত প্রাণীর দেহ বা ছোট ছোট প্রাণী খেয়ে প্রকৃতিকে পরিষ্কার রাখে। কিন্তু অতিরিক্ত বন নিধন, খাদ্যের অভাব এবং মানুষের কুসংস্কারের কারণে বাংলাদেশে এদের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে।
রাজশাহীর তানোর, নাটোর, দিনাজপুরসহ উত্তরাঞ্চলের গ্রামীণ জনপদে এক সময় নিয়মিত দেখা যেত এদের। এখন মাসের পর মাসেও চোখে পড়ে না।
প্রকৃতি সংরক্ষণ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শকুন বা বড় শিকারি পাখি প্রকৃতির পরিচ্ছন্ন কর্মী। এদের বিলুপ্তি হলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হবে। তাই এদের বাঁচিয়ে রাখতে হলে গ্রামাঞ্চলে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। পাখিবিশারদরা মনে করেন, এসব পাখিকে ঘিরে ছড়িয়ে থাকা কুসংস্কার ভাঙতে হবে। শিশু-কিশোরদের শেখাতে হবে যে এই পাখিগুলো আমাদের শত্রু নয়, বরং বন্ধু। এগুলো প্রকৃতিকে রোগমুক্ত রাখতে সাহায্য করে।
পরিবেশবাদীরা বলছেন, সরকারের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকে এ বিষয়ে এগিয়ে আসতে হবে। শিকারি পাখি হত্যা বন্ধ করতে হবে, তাদের জন্য নিরাপদ আবাসস্থল তৈরি করতে হবে।
আমাদের শৈশবের ভয় আজ ইতিহাসে পরিণত হলেও, প্রকৃতিকে বাঁচাতে হলে এই বিরল পাখিগুলোকে রক্ষা করা এখন সময়ের দাবি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Biggapon

সম্পাদকীয়

প্রকাশক ও সম্পাদক: মোহাঃ সোহানুল হক পারভেজ
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: এম রায়হান আলী

উপদেষ্টা

উপদেষ্টা: মোঃ রুহুল আমিন খন্দকার

আইন উপদেষ্টা : ব্যারিস্টার মোঃ মাহফুজুর রহমান (মিলন) সিনিয়র এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট,

আইন উপদেষ্টা : এ্যাডভোকেট রায়হান কবীর,(পি.পি.) জজ কোর্ট রাজশাহী।

বার্তা বিভাগ

বার্তা সম্পাদক: মোঃ হাফিজুল ইসলাম,

ই-মেইল: jonotarsomoy24@gmail.com,

মোবাইলঃ ০১৭৬১-৮৯৯১১৯, ০১৭৬২-৬৯৬২৭০

প্রধান কার্যালয়

প্রকাশক ও সম্পাদক
মোহাঃ সোহানুল হক পারভেজ

রাজশাহী অফিস: রাণীবাজার, অলোকার মোড়, ঘোড়ামারা, বোয়ালিয়া, রাজশাহী।

Theme Created By ThemesDealer.Com