বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে তানোর সাংবাদিক ক্লাব পরিবারের নৌকা ভ্রমণ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত তানোরে নিজ রড-সিমেন্টের দোকানে যাওয়ার পথে নিখোঁজ মিজানুর রহমান বাদশা,উৎকণ্ঠায় পরিবার! তানোরে ইউএনও মাঠতৎপরতায় এলাকাবাসীর প্রশংসায় নাঈমা খান তানোর বরেন্দ্র অঞ্চলে ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে আগাম সবজি চাষ সাংবাদিকদের নিপীড়নের হাতিয়ার হবে না সাইবার সুরক্ষা আইন রাজশাহী ও নাটোর ২৩ পৌরসভার একটিরও ভাগাড় নেই, বর্জ্য ফেলা হয় যেখানে–সেখানে তানোরে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে উদ্ধার করা হয় তাকে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে গুরুত্ব আরোপ প্রধানমন্ত্রীর চরম দুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি,তানোর-মোহনপুর সংযোগ সড়ক এখন মরণফাঁদ

দূর্গাপুরের সেই আলোচিত নারী প্রদর্শকের নিয়োগ অবৈধ

Reporter Name / ৮৬
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪৮ পূর্বাহ্ন

ক্রাইম রিপোর্টার:-রাজশাহী দুর্গাপুরের দাওকান্দি সরকারি ডিগ্রি কলেজ বিতর্কিত সেই শিক্ষিকা আলেয়া খাতুনের বিরুদ্ধে এবার অভিনব জঘন্য অপরাধের তথ্য মিলতে শুরু করেছে, অনুসন্ধানে উঠে আসছে অন্যের ইনডেক্সে ৪৬ লাখ ৯৪ হাজার ৪২১ টাকা আত্মসাৎ, তদন্তে গুরুতর অনিয়মের প্রমাণ.ছাড়াও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি প্রতিষ্ঠানটিতে অবৈধভাবে নিয়োগ পেয়েছিলেন।আলেয়া যে বিষয়ে নিয়োগ পান তার প্রাপ্যতা না থাকায় দীর্ঘদিন এমপিওভুক্ত হতে পারেননি তিনি। পরে অন্যের ইনডেক্স নম্বর ব্যবহার করে এমপিওভুক্ত হন। ২০০৩ খ্রিষ্টাব্দের জানুয়ারি থেকে ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের জুন পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে প্রতিষ্ঠান প্রধানের সহযোগিতায় বেতন-ভাতার নামে ২০ লাখ ৫১ হাজার ৮১৩ টাকা আত্মসাত করেন। এমন অপরাধের জন্য সরকারি কোষাগারে বেতনের টাকা জমা দেয়া, এমপিও বাতিল, বিভাগীয় মামলা রুজুসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশও করা হয়।সম্প্রতি পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর থেকে জানা যায়, মোছা. আলেয়া খাতুন (ইনডেক্স-৮৪৫৪১০) সাচিবিক বিদ্যা প্রদর্শক পদে গত ২০০২ খ্রিষ্টাব্দের ১৯ সেপ্টেম্বর যোগদান করেন। তার নিয়োগ রেকর্ড যাচাইয়ে দেখা যায় গত ২০০২ খ্রিষ্টাব্দের ১৮ জানুয়ারি দৈনিক সোনালী পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হয়। এটি একটি স্থানীয় পত্রিকা। জাতীয় পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রচার না করায় নিয়োগ অবৈধ হিসেবে গণ্য। তিনি ওই বছরের ২৬ জানুয়ারি প্রদর্শক সাচিবিক বিদ্যা পদের জন্য আবেদন করেন। ৮ মে মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে তাকে নির্বাচিত করা হয়। নিয়োগ বোর্ডে মাউশি অধিদপ্তরের প্রতিনিধি ছিলেন রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর শিরিন সুফিয়া খানম। ১৯৯৫ খ্রিষ্টাব্দের ২৪ অক্টোবর ও ২০১০ খ্রিষ্টাব্দের ৪ ফেব্রুয়ারির জনবল কাঠামোয় প্রদর্শক, প্রশিক্ষক সাচিবিক বিদ্যার প্রাপ্যতা না থাকায় তিনি দীর্ঘদিন এমপিওভুক্ত হতে পারেননি।আরো জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটিতে আগে থেকে চামেলী খাতুন নামে ১ জন প্রশিক্ষক কর্মরত ছিলেন। আলেয়া খাতুন ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের জুলাই সাবেক ইন্সট্রাক্টর চামেলী খাতুননের ইনডেক্স নম্বর ৮৪৫৪১০-এ এমপিওভুক্ত হন। চামেলী খাতুন প্রশিক্ষক পদ থেকে চলে যাওয়ার পরও কলেজের এমপিও শিট থেকে চামেলী খাতুনের নাম কর্তন করা হয়নি। ফলে চামেলী খাতুন এর ইনডেক্স নম্বর ৮৪৫৪১০-এ বরাদ্দ করা সরকারি বেতন ভাতার অংশ আলেয়া খাতুন ২০০৩ খ্রিষ্টাব্দের জানুয়ারি থেকে ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের জুন পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে নিয়েছেন। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠান প্রধানের সহযোগিতায় তথ্য গোপন করে মোট ২০ লাখ ৫১ হাজার ৮১৩ টাকা আত্মসাত করেছেন। এটি একটি অভিনব জঘন্য অপরাধ। এ অপরাধের জন্য এ প্রতিষ্ঠানের ২০০৩ খ্রিষ্টাব্দের মে থেকে ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের জুন পর্যন্ত কর্মরত অধ্যক্ষ ও গভর্নিং বডির সংশ্লিষ্ট সভাপতিরা এবং ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দায়ী। আলেয়া খাতুন প্রতারণর মাধ্যমে আত্মসাতকৃত ২০ লাখ ৫১ হাজার ৮১৩ টাকা টাকা আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া, আলেয়া খাতুনের এমপিও বাতিল, বিভাগীয় মামলা রুজুসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করা হয়।উল্লেখ্য বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ এ উল্লেখ আছে যে, প্রদর্শক (পদার্থ, রসায়ন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ও উদ্ভিদবিজ্ঞান, প্রাণীবিজ্ঞান বিষয়ে ল্যাব চালু থাকলে প্রতি বিষয়ে) ১ জন করে প্রদর্শক প্রাপ্য। কিন্তু সাচিবিক বিদ্যার প্রদর্শক, প্রশিক্ষকের প্রাপ্যতার উল্লেখ নেই। প্রাপ্যতা না থাকায় আলেয়া খাতুনের ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের জুলাই মাসে এমপিওভুক্তি বৈধ হিসেবে গণ্য নয়। কাজেই তৎকর্তৃক ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের ১ জুলাই থেকে ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সরকারি বেতন ভাতা বাবদ নেয়া (২০ লাখ ৫১ হাজার ৮১৩ + ২৬ লাখ ৪২ হাজার ৬০৮)= ৪৬ লাখ ৯৪ হাজার ৪২১ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরতযোগ্য।শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫ এর ৪.৩ অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে যে, প্যাটার্নভুক্ত পদে এমপিও হয়েছিল কিন্তু সরকার জারি করা কোনো প্রজ্ঞাপন বা নতুন এমপিও নীতিমালার কারণে পদটি বিলুপ্ত হয়েছে, এমন পদটি উদ্বৃত্ত পদ হিসেবে গণ্য হবে। মোছা. আলেয়া খাতুন প্যার্টানভুক্ত পদে এমপিওভুক্তি ছিলেন না বিধায় তিনি উদ্বৃত্ত হিসেবে গণ্য হবেন না।উল্লেখ্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের ৮ আগস্টের প্রজ্ঞাপনে প্রতিষ্ঠানটি জাতীয়করণ ঘোষণা করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য শিক্ষক-কর্মচারীদের পদ আত্মীকরণ করা হলেও সাচিবিক বিদ্যা প্রদর্শক/ INS. পদের নীতিমালা মোতাবেক প্রাপ্যতা না থাকায় আলেয়া বেগমের পদটি আত্মীকরণ করা হয়নি। তিনি বেসরকারি হিসেবে বেতন ভাতার প্রাপ্ত হচ্ছেন। বিষয়টি মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Biggapon

সম্পাদকীয়

প্রকাশক ও সম্পাদক: মোহাঃ সোহানুল হক পারভেজ
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: এম রায়হান আলী

উপদেষ্টা

উপদেষ্টা: মোঃ রুহুল আমিন খন্দকার

আইন উপদেষ্টা : ব্যারিস্টার মোঃ মাহফুজুর রহমান (মিলন) সিনিয়র এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট,

আইন উপদেষ্টা : এ্যাডভোকেট রায়হান কবীর,(পি.পি.) জজ কোর্ট রাজশাহী।

বার্তা বিভাগ

বার্তা সম্পাদক: মোঃ হাফিজুল ইসলাম,

ই-মেইল: jonotarsomoy24@gmail.com,

মোবাইলঃ ০১৭৬১-৮৯৯১১৯, ০১৭৬২-৬৯৬২৭০

প্রধান কার্যালয়

প্রকাশক ও সম্পাদক
মোহাঃ সোহানুল হক পারভেজ

রাজশাহী অফিস: রাণীবাজার, অলোকার মোড়, ঘোড়ামারা, বোয়ালিয়া, রাজশাহী।

Theme Created By ThemesDealer.Com