স্টাফ রিপোর্টার::স্কুলছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় তানোরে উপজেলার ৬ নং কামারগাঁ ইউপির ছাঐড় গ্রামের মাহফুজুর রহমান মাহফুজ তানোর থানায় বাদী হয়ে ১৯ এপ্রিলে তানোর থানায় মামলা করেছিলেন।এ ঘটনার ৮ জন আসামী তার মধ্যে ১ নাম্বার আসামী ১৯ এপ্রিল থেকে মাহাবুব আলম মুরাদ পলাতক এখনও আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। এমত অবস্থায় উল্টো তারা মোবাইল ফোনে কল করে মেয়েটির মা-বাবাকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। এমনকি, মামলা তুলে না নিলে তারা পেট্রোল ঢেলে বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়ার কথাও বলছে। এ ঘটনায় পরিবারটি ভুগছে নিরাপত্তাহীনতায়। ওই কিশোরী স্থানীয় ছাওড় এইচ এম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। মামলার পর বাদী মাহফুজুর রহমান মেয়েকে নিরাপত্তার জন্য রাজশাহীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করেন। এমত অবস্থায় মাহবুবা তাসনিম ও তার মাকে মারধর করে অস্ত্রের মুখে একটি প্রাইভেটকারে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন এবং ভয়ভীতি দেখান। মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বিবাদী মাহবুব আলম মুরাদ (১৯) এবং কাওছার আহমেদ সাগর ১নং বিবাদী মাহবুব আলম মুরাদ ২ নং বিবাদী তার পিতা সাগরের সহযোগিতায় আমার নাবালিকা মাহবুবা তাসলিমকে বিবাহের প্রলোভন দিয়ে পুশলাইয়া জোরপূর্বক অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ায় এবং উপরোক্ত বিবাদী সহ তাদের পরিবারের লোকজন আমার শাশুড়ি আক্তার বানু ওই স্ত্রী মোসাম্মৎ জোসনা খাতুন কে মারপিট করাই আমি নিজে বাদী হয়ে বিবাদীসহ তাদের পরিবারের, লোকজনদের বিরুদ্ধে তানোর থানা একটি মামলা দায়ের করি। তানোর থানার মামলা নং ১৪/ ধারা ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭ /৩০ তৎসহ ১৪৩ ৩২৩/৩২৫/৩০৭/৩৫৪/৩৭৯/৫০৬/১১৪/৩৪ পেনাল কোড মামলাটি বর্তমানে বিজ্ঞ আদালতে চলমান আছে।এ বিষয়ে মামলার বাদী মাহফুজুর রহমান মাহফুজ জানান, আসামী ও তাদের লোকজন মামলা তুলে নেওয়ার জন্য প্রায়ই ফোনে ও সরাসরি হুমকি দিচ্ছে। তা না করলে হত্যা ও ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেবে বলে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। তারা মামলার সাক্ষীদেরও নানাভাবে চাপ দিচ্ছে। পুলিশও অজ্ঞাত কারণে আসামি গ্রেপ্তার করছে না।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রতিবেশী বলেন, অপহরণে ফুশলাইয়া জড়িত আসামীরা রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ও বিত্তবান। তাই হয়তো পুলিশ ধরতে আগ্রহী নয়। দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামি গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।এ বিষয়ে আসামি মাহবুব আলম মুরাদ ও তার পিতা কাউছার আহমেদ সাগরের এই নাম্বারে (০১৭১৪-৫৭৯২৩৫)ফোন দিলে ফোন রিসিভ করেন না ।
এ বিষয়ে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)মাহমুদুল হাসান বলেন, অপহরণের বিষয়ে জিডি পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।