বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে তানোর সাংবাদিক ক্লাব পরিবারের নৌকা ভ্রমণ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত তানোরে নিজ রড-সিমেন্টের দোকানে যাওয়ার পথে নিখোঁজ মিজানুর রহমান বাদশা,উৎকণ্ঠায় পরিবার! তানোরে ইউএনও মাঠতৎপরতায় এলাকাবাসীর প্রশংসায় নাঈমা খান তানোর বরেন্দ্র অঞ্চলে ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে আগাম সবজি চাষ সাংবাদিকদের নিপীড়নের হাতিয়ার হবে না সাইবার সুরক্ষা আইন রাজশাহী ও নাটোর ২৩ পৌরসভার একটিরও ভাগাড় নেই, বর্জ্য ফেলা হয় যেখানে–সেখানে তানোরে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে উদ্ধার করা হয় তাকে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে গুরুত্ব আরোপ প্রধানমন্ত্রীর চরম দুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি,তানোর-মোহনপুর সংযোগ সড়ক এখন মরণফাঁদ

তানোরে ইউনিয়ন পরিষদে উন্নয়ন সহায়তা বরাদ্দের টাকা তছরুপ

Reporter Name / ১৪১
আপডেট : শুক্রবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৪, ৪:১২ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক তানোর : রাজশাহীর তানোর উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন পরিষদ ইউপির উন্নয়ন সহায়তা তহবিল বরাদ্দের টাকা তছরুপ করেছেন চেয়ারম্যান ও সচিবরা বলে অভিযোগ উঠেছে। বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময়ে বরাদ্দ গুলো তাদের দোসর ইউপির চেয়ারম্যানরা মহা আনন্দে হরিলুট করেছেন। একই প্রকল্প বারবার দেখিয়ে বরাদ্দের পুরো টাকায় লোপাট করেছেন আওয়ামী লীগ পন্থী চেয়ারম্যানরা বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেন। ফলে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের অপসারণের আগে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তুলেছেন ইউপি সদস্যরা।

জানা গেছে, প্রতি অর্থ বছরে দুই ধাপে উন্নয়ন সহায়তার বরাদ্দ দেয়া হয় ইউনিয়ন পরিষদ গুলোতে। বিগত ২০২৩-২৪ অর্থ বছরের শুরুর দিকে প্রথম বরাদ্দ এবং জুন মাসে দ্বিতীয় বরাদ্দ দেয়া হয়। উপজেলার সাত ইউনিয়নে এসব বরাদ্দ ভূয়া ভূয়া প্রকল্প দেখিয়ে লোপাট করেন সাবেক এমপি ফারুক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ময়নার আশীর্বাদ পুষ্ট চেয়ারম্যানরা। এমনকি বরাদ্দের ৪০% টাকা আগেই কেটে নিতেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানসহ কর্তা বাবুরা বলেও অভিযোগ রয়েছে। শুধু উন্নয়ন সহায়তার বরাদ্দ না, টিআর, কাবিখা ও বিশেষ বরাদ্দ থেকেও কাটা হত ৪০% করে টাকা বলেও সূত্র নিশ্চিত করেন।মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে বন্ধ পাওয়া যায়।

উন্নয়ন সহায়তা বরাদ্দ বিষয় ও কাজ নিয়ে বাঁধাইড় ও পাচন্দর ইউপি চেয়ারম্যান কোন মন্তব্য করেননি।

কিন্তু তালন্দ ইউপি চেয়ারম্যান নাজিমুদ্দিন বাবুর কাছে বরাদ্দের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, কাজ করা হয়েছে। কবে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে কোন ঠিকাদার কাজ করেছে প্রশ্ন করা হলে মোটরসাইকেল যোগে সটকে পড়েন। তবে তার সচিব সাব জানিয়ে দেয় আমিও তেমন কিছুই জানিনা, কিন্তু বরাদ্দের কোন হুদিস নেই।

বিগত ২০১১ সাল থেকে চান্দুড়িয়া ইউপির চেয়ারম্যান ইউপি আওয়ামী লীগ সভাপতি মজিবুর ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন। ওই সময় থেকে অদ্যবদি কোন বরাদ্দের কাজ না করে লুটে খেয়েছেন তিনি। কারণ উপজেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের তিনি তটস্থ করে রাখতেন। ইচ্ছমত লোপাট করেছেন তিনি।

সরনজাই ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক খান বলেন, বরাদ্দ তো পেতাম না, যেগুলো পেতাম আওয়ামী লীগ পন্থী মেম্বারদের মাধ্যমে কাজ করতে হত। বরাদ্দের পুরো কাজ হয়েছে। কিন্তু দরপত্র ও ঠিকাদারের বিষয়ে কিছুই বলেন নি তিনি।

সদ্য যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইউএনও মিনহাজুল ইসলামকে বিষয়গুলো সম্পর্কে অবহিত করা হলে তিনি বলেন সবে যোগদান করেছি, ফাইল পত্র দেখে নিয়ম অনুযায়ী কাজ না হলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Biggapon

সম্পাদকীয়

প্রকাশক ও সম্পাদক: মোহাঃ সোহানুল হক পারভেজ
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: এম রায়হান আলী

উপদেষ্টা

উপদেষ্টা: মোঃ রুহুল আমিন খন্দকার

আইন উপদেষ্টা : ব্যারিস্টার মোঃ মাহফুজুর রহমান (মিলন) সিনিয়র এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট,

আইন উপদেষ্টা : এ্যাডভোকেট রায়হান কবীর,(পি.পি.) জজ কোর্ট রাজশাহী।

বার্তা বিভাগ

বার্তা সম্পাদক: মোঃ হাফিজুল ইসলাম,

ই-মেইল: jonotarsomoy24@gmail.com,

মোবাইলঃ ০১৭৬১-৮৯৯১১৯, ০১৭৬২-৬৯৬২৭০

প্রধান কার্যালয়

প্রকাশক ও সম্পাদক
মোহাঃ সোহানুল হক পারভেজ

রাজশাহী অফিস: রাণীবাজার, অলোকার মোড়, ঘোড়ামারা, বোয়ালিয়া, রাজশাহী।

Theme Created By ThemesDealer.Com