বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে তানোর সাংবাদিক ক্লাব পরিবারের নৌকা ভ্রমণ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত তানোরে নিজ রড-সিমেন্টের দোকানে যাওয়ার পথে নিখোঁজ মিজানুর রহমান বাদশা,উৎকণ্ঠায় পরিবার! তানোরে ইউএনও মাঠতৎপরতায় এলাকাবাসীর প্রশংসায় নাঈমা খান তানোর বরেন্দ্র অঞ্চলে ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে আগাম সবজি চাষ সাংবাদিকদের নিপীড়নের হাতিয়ার হবে না সাইবার সুরক্ষা আইন রাজশাহী ও নাটোর ২৩ পৌরসভার একটিরও ভাগাড় নেই, বর্জ্য ফেলা হয় যেখানে–সেখানে তানোরে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে উদ্ধার করা হয় তাকে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে গুরুত্ব আরোপ প্রধানমন্ত্রীর চরম দুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি,তানোর-মোহনপুর সংযোগ সড়ক এখন মরণফাঁদ

তানোরে ভাতের সাথে বিষ মিশিয়ে নির্বিচারে হাঁস মুরগী মেরে ফেলার অভিযোগ

Reporter Name / ১৬০
আপডেট : মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৬, ৮:৩৯ পূর্বাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীর তানোরে বাড়ির খৈলানে ভাতের সাথে  বিষ মিশিয়ে নির্বিচারে শতাধিক হাঁস মুরগীসহ বাচ্চা মেরে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকাল ৬ টার দিকে উপজেলার তালন্দ ইউনিয়ন ইউপির কালনা পূর্বপাড়া গ্রামে ঘটে হাঁস মুরগী মারার ঘটনাটি। এঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হাঁস মুরগীর মালিক শাফিউল ইসলাম ও আশরাফুল ইসলাম বাদী হয়ে  ওই গ্রামের আনেস আলী কারিকর কে বিবাদী করে মঙ্গলবার সকাল  ১০ টার দিকে উপজেলার নির্বাহীর দপ্তরে ও থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এতে করে গৃহপালিত হাঁস মুরগী হত্যা কারী আনেস কারিকরের শাস্তির দাবি তুলেছেন অভিযোগ কারী সহ গ্রামের লোকজন। এছাড়াও চার পাঁচ দিন আগে মতিউর নামের আরেক ব্যক্তির একই কায়দায় ৬ টা মুরগী ও চারটি বাচ্চা মেরে ফেলে। অভিযোগে উল্লেখ, পূর্ব শক্রতার জের ধরে মঙ্গলবার সকাল ৬ টার দিকে বাড়ির খৈলানে ভাতের সাথে বিষ মিশিয়ে ছিটিয়ে দেয়। বাড়ি থেকে হাঁস মুরগী বের হওয়া মাত্রই ভাত খাওয়া শুরু করে। খাওয়ার সাথে সাথে মারা যায় হাঁস মুরগীসহ বাচ্চাগুলো। আমাদের দুই ভায়ের যতগুলো হাঁস মুরগী ও বাচ্চা ছিল সব মরে গেছে।শাফিউল জানন, ভোর ৬ টার দিকে বাড়ির দরজা খোলা মাত্রই হাঁস মুরগী বের হয়ে খৈলানে ভাত দেখে খাওয়া শুরু করে। সাথে সাথে সব হাঁস মুরগী মাটির সাথে লুটিয়ে পড়ে মারা যায়। আমার ৫ টা হাঁস ও ২৫ টির মত মুরগী এবং সমপরিমাণ বাচ্চা ছিল। সব মরে গেছে। সামান্য কিছু মরা হাঁস মুরগী নিয়ে ইউএনও স্যারের কাছে এসেছি। যাতে করে এর সঠিক বিচার পায়।তার ভাই আসরাফুল জানান, একই ভাবে বাড়ির খৈলানে ভাতের সাথে বিষ মিশিয়ে আমার ১৫ টা মুরগী ও ১২ টির মত বাচ্চা মেরে ফেলেছে। মতিউর নামের আরেক জন জানান, গত চার পাঁচ দিন আগে আমার বাড়ির উত্তরে ডাংগায় একই কায়দায় ভাত খেয়ে ৬ টা মুরগী ও ৫ টির মত বাচ্চা মারা যায়।তারা আরো বলেন, হাঁস মুরগী নির্বিচারে মেরে ফেলার  পর  গ্রামের লোকজন হত্যাকারী আনেস কে বললে তিনি দাম্ভিকতা দেখিয়ে বলে যা খুশি করতে পার। বেশি বাড়াবাড়ি করলে সবাইকে জেল খাটানো হবে। হাঁস মুরগী না মারলে আমার চাষাবাদ হত না। এজন্য মারা হয়েছে। আনেস দুই আড়াই শতাংশ জমিতে দেশি আলু চাষ করেছে। জমিতেও বিষ মিশিয়ে ভাত ছিটিয়ে রেখেছে। গ্রামের মেম্বার ও মহিলা মেম্বার তাকে এসব বললে কোন গুরুত্ব দেয়নি। সে কারো কথা শুনেনা। আমরা গরীব অসহায়। হাঁস মুরগী লালন পালন করে সংসারের বাড়তি খরচের জোগান দেয়া হয়। জানা গেছে, মরা হাঁস মুরগী নিয়ে গ্রামের অন্তত ১৫/২০ জন লোক উপজেলা পরিষদের সামনে এসে মরা হাঁস মুরগী গেটের সামনে ফেলে আনেসের বিচার দাবি করেন। তবে তারা সেখানে ১১ টা পর্যন্ত অবস্থান করেও ইউএনওর দেখা না পেয়ে থানায় অভিযোগ দিয়ে বাড়িতে চলে যায় গ্রামবাসী জানায়, গত সোমবার সন্ধ্যার সময় আনেস ঘোষণা দেয় শাফিউল ও আসরাফুলের হাঁস মুরগী মেরে ফেলা হবে। সে মোতাবেক মঙ্গলবার ভাতের সাথে বিষ মিশিয়ে হাঁস মুরগীসহ বাচ্চা মেরে ফেলেছে। তার কঠিন শাস্তি হওয়া দরকার। নচেৎ তার দেখাদেখি অনেকেই এধরণের নোংরা কাজ করবে।তবে আনেস কারিকর জানান, আমি যে হাঁস মুরগী মেরেছে তার কোন প্রমান আছে। সবাই বলছে আপনি ভাতের সাথে বিষ মিশিয়ে খৈলানে ছিটিয়ে দিয়ে হাঁস মুরগী মেরেছেন জানতে চাইলে তিনি জানান, আমার সরিষা ও আলুর আবাদ নষ্ট করেছে। তাহলে আপনিই মেরেছেন প্রশ্ন করা হলে কোন উত্তর না দিয়ে তালবাহানা করেন।তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহিনুজ্জামান জানান, অভিযোগ হলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইউএনও নাঈমা খান জানান, অভিযোগ হাতে পেলে উভয় পক্ষকে ডেকে তাদের কথা শোনার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Biggapon

সম্পাদকীয়

প্রকাশক ও সম্পাদক: মোহাঃ সোহানুল হক পারভেজ
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: এম রায়হান আলী

উপদেষ্টা

উপদেষ্টা: মোঃ রুহুল আমিন খন্দকার

আইন উপদেষ্টা : ব্যারিস্টার মোঃ মাহফুজুর রহমান (মিলন) সিনিয়র এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট,

আইন উপদেষ্টা : এ্যাডভোকেট রায়হান কবীর,(পি.পি.) জজ কোর্ট রাজশাহী।

বার্তা বিভাগ

বার্তা সম্পাদক: মোঃ হাফিজুল ইসলাম,

ই-মেইল: jonotarsomoy24@gmail.com,

মোবাইলঃ ০১৭৬১-৮৯৯১১৯, ০১৭৬২-৬৯৬২৭০

প্রধান কার্যালয়

প্রকাশক ও সম্পাদক
মোহাঃ সোহানুল হক পারভেজ

রাজশাহী অফিস: রাণীবাজার, অলোকার মোড়, ঘোড়ামারা, বোয়ালিয়া, রাজশাহী।

Theme Created By ThemesDealer.Com