বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে তানোর সাংবাদিক ক্লাব পরিবারের নৌকা ভ্রমণ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত তানোরে নিজ রড-সিমেন্টের দোকানে যাওয়ার পথে নিখোঁজ মিজানুর রহমান বাদশা,উৎকণ্ঠায় পরিবার! তানোরে ইউএনও মাঠতৎপরতায় এলাকাবাসীর প্রশংসায় নাঈমা খান তানোর বরেন্দ্র অঞ্চলে ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে আগাম সবজি চাষ সাংবাদিকদের নিপীড়নের হাতিয়ার হবে না সাইবার সুরক্ষা আইন রাজশাহী ও নাটোর ২৩ পৌরসভার একটিরও ভাগাড় নেই, বর্জ্য ফেলা হয় যেখানে–সেখানে তানোরে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে উদ্ধার করা হয় তাকে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে গুরুত্ব আরোপ প্রধানমন্ত্রীর চরম দুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি,তানোর-মোহনপুর সংযোগ সড়ক এখন মরণফাঁদ

মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে জীবনতরী সমাজকল্যাণ সংস্থার সংবাদ সম্মেলন

Reporter Name / ১২৮
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬, ২:১২ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীতে সংবাদ সম্মেলন চারবার চেষ্টাতেও পরীক্ষায় ফেল প্রতিষ্ঠান পরিচালকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ। বিউটিফিকেশন লেভেল-৩ কোর্সের পরীক্ষার দিন নাক ও কান ফুটানোর পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল সোনিয়া জামানের। সেদিন পিয়ার সিং মেশিন নিয়ে চারবার চেষ্টা করেও তিনি সফল হননি। তিনি পরীক্ষায় ফেল করেন। কিন্তু তার স্বামী বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েছেন যে, তার স্ত্রীকে ইচ্ছাকৃতভাবে ফেল করানো হয়েছে। জীবনতরী সমাজকল্যাণ সংস্থা নামের রাজশাহীর একটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে এসব কথা বলা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে নগরের একটি রেস্তোরাঁয় এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সংস্থার পরিচালক মারুফ হোসেন। তার পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংস্থার প্রশিক্ষক তৌহিদুল ইসলাম। তাদের দাবি, সোনিয়া জামান ফেল করায় তার স্বামী আরিফুল ইসলাম সংস্থার ক্ষতি করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছেন। তিনি বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। আরিফুল ইসলাম নগরের কোর্ট বাজার এলাকার বাসিন্দা। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, জীবনতরী সমাজকল্যাণ সংস্থা বেকারদের প্রশিক্ষণ দিয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে। গত বছরের মে মাসে বিউটিফিকেশন লেভেল-৩ কোর্সে ভর্তি হন সোনিয়া জামান। তিন দিনের প্রশিক্ষণ গ্রহণ শেষে ১৭ মে তিনি পরীক্ষায় বসেন। পরীক্ষা গ্রহণ করেন জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অ্যাসেসর আঞ্জুমান আরা ও শিক্ষা বোর্ডের প্রতিনিধি অ্যাসিটেন্ট ম্যানেজমেন্ট বিপ্লব কুমার বিশ্বাস। সেন্টার ইনচার্জ হিসেবে ছিলেন মারুফ। মারুফ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সেদিন সবার সামনে প্রশিক্ষণার্থীদের প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষা দিতে হয়। তখন সোনিয়া জামান পিয়ার সিং (নাক-কান ফুটানো) করতে পারেননি। যথারীতি সোনিয়া জামান ফেল করেন। এরপর বিভিন্ন সময় সোনিয়া জামান আমাকে অনুরোধ করেন তাকে পাস করিয়ে দেওয়ার জন্য। কিন্তু তিনি নিয়ম অনুযায়ী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অনলাইনে আপিলই করেননি। তাই তার পুনরায় পরীক্ষাও নেওয়া যায়নি। এরপর সাতমাস কেটে যায়। হঠাৎ করে সোনিয়া জামান বিভিন্ন স্থানে সংস্থার নামে বদনাম ছড়াতে থাকেন। বিষয়টি জানতে পেরে মারুফ একদিন তাকে ফোন করে বলেন, মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হলে তিনি মানহানির মামলা করবেন। এরপর সেই রাতেই স্বামী আরিফুল ইসলাম তাকে ফোন করে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। এরপরই বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিতে শুরু করেন। গত বছরের ১৬ নভেম্বর আরিফুল আরএমপির পুলিশ কমিশনারের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দেন। এতে তিনি অভিযোগ করেন, প্রকাশ্যে প্রতিটি প্রশিক্ষণার্থীর সামনে মারুফ হোসেন তার স্ত্রী সোনিয়া জামানকে কুপ্রস্তাব দিয়েছেন। তার প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ার কারণে সোনিয়াকে ইচ্ছাকৃতভাবে ফেল করানো হয়েছে। একই অভিযোগ সমাজসেবা অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসকের কাছেও দেওয়া হয়। জেলা প্রশাসক অভিযোগটি পেয়ে তদন্তের জন্য সমাজসেবা অধিদপ্তরের তিনজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেন। সম্প্রতি জমা দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংস্থার বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগের সত্যতা মেলেনি। মারুফ দাবি করেন, আরিফুল ইসলাম রাজশাহীতে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) এর সঙ্গে যুক্ত। তাই তিনি নিজেকে সামাজিক সংগঠক পরিচয় দিয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তিনি এখন তদন্ত প্রতিবেদন পরিবর্তন করানোর চেষ্টা করছেন। এ চক্রে সীমা খাতুন নামের এক নারী আছেন। তিনিও নানা হুমকি দিচ্ছেন বলে মারুফ দাবি করেন। মারুফের আশঙ্কা, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন পরিবর্তন করা হতে পারে। সংবাদ সম্মেলনে ছিলেন সংস্থার সাবেক প্রশিক্ষক সোনিয়া মাহমুদা বন্নি। তিনি বলেন, সোনিয়ার স্বামী আরিফুল ইসলাম বিভিন্ন স্থানে বলে বেড়ান যে মারুফ হোসেন তাকে যৌন হয়রানি করেছেন এবং এই কারণে তিনি সংস্থায় চাকরি করতে পারেননি। এসব কথা লিখে আরিফুল তাকে মেসেঞ্জারে মেসেজও দেন। কিন্তু এসব সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে তিনি পারিবারিক কারণে চাকরি করতে পারেননি। সংস্থার পরিচালক তাকে যৌন হয়রানি করেননি। সোনিয়া জামানের সঙ্গে ওই ব্যাচে মোট ১২ জন প্রশিক্ষণার্থী ছিলেন। তাদের মধ্যে আখি খাতুন, সাবিনা ইয়াসমিন, তাপসী রাবেয়া, সুলতানা খাতুন, রোকেয়া খাতুনসহ আরও কয়েকজন সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হন। তারা সংবাদ সম্মেলনে জানান, পরীক্ষার দিন চারবার সুযোগ দেওয়ার পরও সোনিয়া জামান পিয়ার সিং করতে পারেননি। তাই তিনি ফেল করেছেন। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে ফেল করানোর অভিযোগ সঠিক নয়। সংবাদ সস্মেলনের এসব বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযোগকারী আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘আমি এসব বিষয় নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাচ্ছি না। আমি এ ব্যাপারে কোর্টে মামলা করেছি। আমার কিছু বলার থাকলে বা ডকুমেন্ট দেওয়ার থাকলে সেটা আমি কোর্টে গিয়ে করব।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Biggapon

সম্পাদকীয়

প্রকাশক ও সম্পাদক: মোহাঃ সোহানুল হক পারভেজ
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: এম রায়হান আলী

উপদেষ্টা

উপদেষ্টা: মোঃ রুহুল আমিন খন্দকার

আইন উপদেষ্টা : ব্যারিস্টার মোঃ মাহফুজুর রহমান (মিলন) সিনিয়র এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট,

আইন উপদেষ্টা : এ্যাডভোকেট রায়হান কবীর,(পি.পি.) জজ কোর্ট রাজশাহী।

বার্তা বিভাগ

বার্তা সম্পাদক: মোঃ হাফিজুল ইসলাম,

ই-মেইল: jonotarsomoy24@gmail.com,

মোবাইলঃ ০১৭৬১-৮৯৯১১৯, ০১৭৬২-৬৯৬২৭০

প্রধান কার্যালয়

প্রকাশক ও সম্পাদক
মোহাঃ সোহানুল হক পারভেজ

রাজশাহী অফিস: রাণীবাজার, অলোকার মোড়, ঘোড়ামারা, বোয়ালিয়া, রাজশাহী।

Theme Created By ThemesDealer.Com