বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে তানোর সাংবাদিক ক্লাব পরিবারের নৌকা ভ্রমণ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত তানোরে নিজ রড-সিমেন্টের দোকানে যাওয়ার পথে নিখোঁজ মিজানুর রহমান বাদশা,উৎকণ্ঠায় পরিবার! তানোরে ইউএনও মাঠতৎপরতায় এলাকাবাসীর প্রশংসায় নাঈমা খান তানোর বরেন্দ্র অঞ্চলে ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে আগাম সবজি চাষ সাংবাদিকদের নিপীড়নের হাতিয়ার হবে না সাইবার সুরক্ষা আইন রাজশাহী ও নাটোর ২৩ পৌরসভার একটিরও ভাগাড় নেই, বর্জ্য ফেলা হয় যেখানে–সেখানে তানোরে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে উদ্ধার করা হয় তাকে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে গুরুত্ব আরোপ প্রধানমন্ত্রীর চরম দুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি,তানোর-মোহনপুর সংযোগ সড়ক এখন মরণফাঁদ

তানোরে দ্বন্দ্ব ও সংঘর্ষের আশঙ্কায় ফের নিয়োগ বোর্ড স্থগিত

Reporter Name / ১১২
আপডেট : বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬, ৯:৫৫ পূর্বাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টার:রাজশাহীর তানোর পৌর সদের ঐতিহ্যবাহী তালন্দ ললিত মোহন ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং কমিটির ভাগবাঁটোয়ারার দ্বন্দ্ব ও সংঘর্ষের আশঙ্কায় আবারও নিয়োগ বোর্ড স্থগিত করা হয়েছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেন।জানা গেছে, মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল ১০ টার দিকে নিয়োগ বোর্ড করার জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছিল। এমনকি ডিজির প্রতিনিধিকে আনতে শহরে অবস্থান করছিলেন গভর্নিং বডির সভাপতি সেলিম উদ্দিন কবিরাজ। এছাড়াও চাকুরি প্রার্থীরা সঠিক সময়ে পরীক্ষা দিতে কলেজে উপস্থিত হন। কিন্তু সময়মতো পরীক্ষা না নেয়ার জন্য তারাও কলেজে হট্টগোল ও বিক্ষোভ শুরু করেন। এদিকে নিয়োগের আগেই কোটি টাকার বাণিজ্য করা হয়েছে বলে ডিসি ও ইউএনওসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেন তালন্দ গ্রামের বাসিন্দা সাবেক ছাত্র দলের নেতা শিক্ষক আব্দুস সালাম। অভিযোগের ভিত্তিতে দুদফা তদন্ত হয়। কলেজ কর্তৃপক্ষ তদন্ত নিজের পক্ষে নিতে দুদফা মব সৃষ্টি করেন। এসব নিয়ে কলেজ শিক্ষক ও স্থানীয়দের মাঝে কয়েকটি গ্রুপ সৃষ্টি হয়। যার কারণে একাধিক বার নিয়োগ বোর্ডের দিন ধার্য করা হলেও স্থগিত করা হচ্ছে বারবার। ফলে নিয়োগ সিন্ডিকেট চক্রের বারবার আশা ভঙ্গ হচ্ছে।স্থানীয়রা জানান, ঈদের পরে ২৪ মার্চ মঙ্গলবার নিয়োগ পরীক্ষার জন্য প্রার্থীদের চিঠি দেয়া হয়। পরীক্ষার সময় দেয়া হয় সকাল ১০ টা। সময়মতো প্রার্থীরা উপস্থিত হন। কিন্তু সময় অতিবাহিত হলেও পরীক্ষা না নেয়ার কারণে হট্টগোল ও বিক্ষোভ শুরু করেন। বিক্ষোভ ও হট্টগোল ও নিয়োগ কর্তৃপক্ষ উপস্থিত না হওয়ার কারণে পরীক্ষা স্থগিত মর্মে নোটিশ সাঁটিয়ে দেয়া হয়। নিয়োগ পরীক্ষা সফল করতে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও গভর্নিং বডির সভাপতি থানা পুলিশ সহ ভাড়াটিয়া বাহিনী নিয়ে আসেন। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে কলেজের আশপাশের এলাকা। এক পক্ষ নিয়োগ পরীক্ষার জন্য জোর লবিং শুরু করেন আরেক পক্ষ নিয়োগ পরীক্ষা বন্ধের জন্য তদারকি শুরু করেন। গত কয়েকদিন ধরে নিয়োগ পরীক্ষার জন্য দফায় দফায় সভা ও মিটিং করেন।সূত্র জানায়, নিয়োগের আগেই কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। যাদের কাছ থেকে টাকা নেয়া হয়েছে তাদেরকে চাকুরি দিতে মরিয়া নিয়োগ চক্র। কারণ কলেজের বিদ্যুৎ বিল ও জমির খাজনা বকেয়া রয়েছে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ লাখ টাকার মত। এ দোহাইয়ে প্রার্থীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নেয়া হয়েছে।কয়েকজন শিক্ষক জানান, কর্মচারী নিয়োগ নিয়ে মাথা ব্যথা নেই। কিন্তু অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ দেয়া হবে ওমর আলীকে। অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ হয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এবং ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে প্রায় তিন বছর দায়িত্ব পালন করতে হয়। কিন্তু ওমর কে রাজনৈতিক প্রভাবে ও মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে দেয়া হচ্ছে নিয়োগ। নিয়োগের জন্য সিলেকশন করা হয়েছে গভর্নিং বডির সভাপতির স্বজনকে। সিলেকশন করা হয়েছে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াত নেতাদের স্বজনদেরও। অথচ সভাপতি, শিক্ষক প্রতিনিধি সহ তাদের দাবি কোনো টাকা লেনদেন হয়নি। তাহলে কেন প্রার্থী সিলেকশন করা হল এমন প্রশ্ন জনমনে।জানা গেছে, গত বছর থেকে তালন্দ ললিত মোহন ডিগ্রি কলেজে পাঁচটি শূন্য পদে নিয়োগ দিতে সক্রিয় হয় কলেজ শিক্ষকদের একাংশ ও গভর্নিং বডি। এজন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিশেষ করে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগের জন্য বাধে ব্যাপক জটিলতা। পাঁচটি শূন্য পদে নিয়োগ দিতে আগে থেকে প্রার্থী সিলেকশন করা হয়। বিএনপি ও জামায়াতের স্বজনদের চাকুরি দিতে মরিয়া হয়ে পড়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও গভর্নিং বডির সভাপতি সেলিম উদ্দিন কবিরাজ। অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ পেতে ব্যাপক তোড়জোড় শুরু করেন ওই কলেজের শিক্ষক ওমর আলী। তাকে ওই পদে নিয়োগের জন্য সিলেকশন করেন নিয়োগ চক্র। শুধু তাই না নিয়োগের আগেই কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে বলেও সূত্র নিশ্চিত করেন এবং লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়। নিয়োগ সিন্ডিকেট চক্রের কথামতো কাজ না করার কারণে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সাবিহা সুলতানাকে সরিয়ে দেওয়া হয়।এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে নিয়ম অনুযায়ী নিয়োগ দেয়া ও নিয়োগের আগেই কোটি টাকার লেনদেনের বিষয় উল্লেখ করে ডিসি ও ইউএনওর দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেন সাবেক ছাত্র দলের নেতা শিক্ষক আব্দুস সালাম। অভিযোগের ভিত্তিতে নির্বাহী অফিসার ইউএনও নাঈমা খাঁন কৃষি অফিসার সাইফুল্লাহ আহম্মেদ, উপজেলা প্রকৌশলী নুর নাহারকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়। তারা দায়িত্ব পেয়ে গত ফেব্রুয়ারি মাসের ২৬ তারিখে উপজেলা কৃষি অফিসে তদন্তের দিন ধার্য করেন। কিন্তু রমজান মাস ও ঈদের ছুটি ছিল কলেজ। কলেজে সরেজমিনে ও ছুটি পরে তদন্তের দাবি জানিয়ে ইউএনও বরাবর লিখিত আবেদন করেন আব্দুস সালাম। তিনি আবেদন করে কলেজ শিক্ষক কবির হোসেন ও মুখলেস এবং সাবিহা সুলতানা চলে যেতে লাগেন। এসময় কৃষি অফিসের সামনে কবিরের উপর চড়াও হয়ে মব সৃষ্টি করেন কলেজ শিক্ষক গভর্নিং বডির শিক্ষক প্রতিনিধি বিএনপি নেতা সাজ্জাদ সহ তার লোকজন। এমনকি কবিরকে প্রাণনাশের হুমকি ধামকি প্রদান করেন। এক তরফা প্রতিবেদন নিতে ঘণ্টা ব্যাপী সাজ্জাদ, গভর্নিং বডির সভাপতি সেলিম উদ্দিন কবিরাজ, স্থানীয় জামাত নেতা মিজানুর সহ তারা অবস্থান করেন। কিন্তু সালামের আবেদনের প্রেক্ষিতে ২ মার্চ কলেজে সরেজমিনে তদন্ত করেন কৃষি অফিসারের প্রতিনিধি ও প্রকৌশলী নুর নাহার। কলেজে তদন্তে শেষে সেখানেও মব সৃষ্টি হয় নিজেদের মধ্যে।সালাম অভিযোগে উল্লেখ করেন, অধ্যক্ষ পাঁচটি শূন্য পদে নিয়োগ দিতে কোটি টাকার লেনদেন করা হয়েছে এবং প্রার্থী সিলেকশন করা হয়েছে। পূর্বের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সাবিহা সুলতানা সরকারি পরিপত্র অনুযায়ী নিয়োগ দিতে চাইলে তাকে সরিয়ে জৈষ্ঠতা লঙ্ঘন করে সাবেক এমপি ফারুক চৌধুরীর সভা মঞ্চের উপস্থাপক নজরুল ইসলাম কে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে পদায়ন করা হয়। নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হওয়ার পর গভর্নিং বডির সভাপতি সেলিম উদ্দিন কবিরাজ সহ সদস্যরা নিয়োগ দিতে মরিয়া হয়ে পড়েন। সেলিম উদ্দিন কবিরাজ ওই কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দীর্ঘ দিন দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের স্বাক্ষরে তানোর (চাপড়া) মহিলা কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হয়েছিলেন,রাজশাহীর তানোর পৌর সদের ঐতিহ্যবাহী তালন্দ ললিত মোহন ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং কমিটির ভাগবাঁটোয়ারার দ্বন্দ্ব ও সংঘর্ষের আশঙ্কায় আবারও নিয়োগ বোর্ড স্থগিত করা হয়েছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেন।জানা গেছে, মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল ১০ টার দিকে নিয়োগ বোর্ড করার জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছিল। এমনকি ডিজির প্রতিনিধিকে আনতে শহরে অবস্থান করছিলেন গভর্নিং বডির সভাপতি সেলিম উদ্দিন কবিরাজ। এছাড়াও চাকুরি প্রার্থীরা সঠিক সময়ে পরীক্ষা দিতে কলেজে উপস্থিত হন। কিন্তু সময়মতো পরীক্ষা না নেয়ার জন্য তারাও কলেজে হট্টগোল ও বিক্ষোভ শুরু করেন। এদিকে নিয়োগের আগেই কোটি টাকার বাণিজ্য করা হয়েছে বলে ডিসি ও ইউএনওসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেন তালন্দ গ্রামের বাসিন্দা সাবেক ছাত্র দলের নেতা শিক্ষক আব্দুস সালাম। অভিযোগের ভিত্তিতে দুদফা তদন্ত হয়। কলেজ কর্তৃপক্ষ তদন্ত নিজের পক্ষে নিতে দুদফা মব সৃষ্টি করেন। এসব নিয়ে কলেজ শিক্ষক ও স্থানীয়দের মাঝে কয়েকটি গ্রুপ সৃষ্টি হয়। যার কারণে একাধিক বার নিয়োগ বোর্ডের দিন ধার্য করা হলেও স্থগিত করা হচ্ছে বারবার। ফলে নিয়োগ সিন্ডিকেট চক্রের বারবার আশা ভঙ্গ হচ্ছে।স্থানীয়রা জানান, ঈদের পরে ২৪ মার্চ মঙ্গলবার নিয়োগ পরীক্ষার জন্য প্রার্থীদের চিঠি দেয়া হয়। পরীক্ষার সময় দেয়া হয় সকাল ১০ টা। সময়মতো প্রার্থীরা উপস্থিত হন। কিন্তু সময় অতিবাহিত হলেও পরীক্ষা না নেয়ার কারণে হট্টগোল ও বিক্ষোভ শুরু করেন। বিক্ষোভ ও হট্টগোল ও নিয়োগ কর্তৃপক্ষ উপস্থিত না হওয়ার কারণে পরীক্ষা স্থগিত মর্মে নোটিশ সাঁটিয়ে দেয়া হয়। নিয়োগ পরীক্ষা সফল করতে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও গভর্নিং বডির সভাপতি থানা পুলিশ সহ ভাড়াটিয়া বাহিনী নিয়ে আসেন। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে কলেজের আশপাশের এলাকা। এক পক্ষ নিয়োগ পরীক্ষার জন্য জোর লবিং শুরু করেন আরেক পক্ষ নিয়োগ পরীক্ষা বন্ধের জন্য তদারকি শুরু করেন। গত কয়েকদিন ধরে নিয়োগ পরীক্ষার জন্য দফায় দফায় সভা ও মিটিং করেন।সূত্র জানায়, নিয়োগের আগেই কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। যাদের কাছ থেকে টাকা নেয়া হয়েছে তাদেরকে চাকুরি দিতে মরিয়া নিয়োগ চক্র। কারণ কলেজের বিদ্যুৎ বিল ও জমির খাজনা বকেয়া রয়েছে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ লাখ টাকার মত। এ দোহাইয়ে প্রার্থীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নেয়া হয়েছে।কয়েকজন শিক্ষক জানান, কর্মচারী নিয়োগ নিয়ে মাথা ব্যথা নেই। কিন্তু অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ দেয়া হবে ওমর আলীকে। অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ হয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এবং ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে প্রায় তিন বছর দায়িত্ব পালন করতে হয়। কিন্তু ওমর কে রাজনৈতিক প্রভাবে ও মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে দেয়া হচ্ছে নিয়োগ। নিয়োগের জন্য সিলেকশন করা হয়েছে গভর্নিং বডির সভাপতির স্বজনকে। সিলেকশন করা হয়েছে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াত নেতাদের স্বজনদেরও। অথচ সভাপতি, শিক্ষক প্রতিনিধি সহ তাদের দাবি কোনো টাকা লেনদেন হয়নি। তাহলে কেন প্রার্থী সিলেকশন করা হল এমন প্রশ্ন জনমনে।জানা গেছে, গত বছর থেকে তালন্দ ললিত মোহন ডিগ্রি কলেজে পাঁচটি শূন্য পদে নিয়োগ দিতে সক্রিয় হয় কলেজ শিক্ষকদের একাংশ ও গভর্নিং বডি। এজন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিশেষ করে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগের জন্য বাধে ব্যাপক জটিলতা। পাঁচটি শূন্য পদে নিয়োগ দিতে আগে থেকে প্রার্থী সিলেকশন করা হয়। বিএনপি ও জামায়াতের স্বজনদের চাকুরি দিতে মরিয়া হয়ে পড়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও গভর্নিং বডির সভাপতি সেলিম উদ্দিন কবিরাজ। অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ পেতে ব্যাপক তোড়জোড় শুরু করেন ওই কলেজের শিক্ষক ওমর আলী। তাকে ওই পদে নিয়োগের জন্য সিলেকশন করেন নিয়োগ চক্র। শুধু তাই না নিয়োগের আগেই কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে বলেও সূত্র নিশ্চিত করেন এবং লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়। নিয়োগ সিন্ডিকেট চক্রের কথামতো কাজ না করার কারণে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সাবিহা সুলতানাকে সরিয়ে দেওয়া হয়।এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে নিয়ম অনুযায়ী নিয়োগ দেয়া ও নিয়োগের আগেই কোটি টাকার লেনদেনের বিষয় উল্লেখ করে ডিসি ও ইউএনওর দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেন সাবেক ছাত্র দলের নেতা শিক্ষক আব্দুস সালাম। অভিযোগের ভিত্তিতে নির্বাহী অফিসার ইউএনও নাঈমা খাঁন কৃষি অফিসার সাইফুল্লাহ আহম্মেদ, উপজেলা প্রকৌশলী নুর নাহারকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়। তারা দায়িত্ব পেয়ে গত ফেব্রুয়ারি মাসের ২৬ তারিখে উপজেলা কৃষি অফিসে তদন্তের দিন ধার্য করেন। কিন্তু রমজান মাস ও ঈদের ছুটি ছিল কলেজ। কলেজে সরেজমিনে ও ছুটি পরে তদন্তের দাবি জানিয়ে ইউএনও বরাবর লিখিত আবেদন করেন আব্দুস সালাম। তিনি আবেদন করে কলেজ শিক্ষক কবির হোসেন ও মুখলেস এবং সাবিহা সুলতানা চলে যেতে লাগেন। এসময় কৃষি অফিসের সামনে কবিরের উপর চড়াও হয়ে মব সৃষ্টি করেন কলেজ শিক্ষক গভর্নিং বডির শিক্ষক প্রতিনিধি বিএনপি নেতা সাজ্জাদ সহ তার লোকজন। এমনকি কবিরকে প্রাণনাশের হুমকি ধামকি প্রদান করেন। এক তরফা প্রতিবেদন নিতে ঘণ্টা ব্যাপী সাজ্জাদ, গভর্নিং বডির সভাপতি সেলিম উদ্দিন কবিরাজ, স্থানীয় জামাত নেতা মিজানুর সহ তারা অবস্থান করেন। কিন্তু সালামের আবেদনের প্রেক্ষিতে ২ মার্চ কলেজে সরেজমিনে তদন্ত করেন কৃষি অফিসারের প্রতিনিধি ও প্রকৌশলী নুর নাহার। কলেজে তদন্তে শেষে সেখানেও মব সৃষ্টি হয় নিজেদের মধ্যে।সালাম অভিযোগে উল্লেখ করেন, অধ্যক্ষ পাঁচটি শূন্য পদে নিয়োগ দিতে কোটি টাকার লেনদেন করা হয়েছে এবং প্রার্থী সিলেকশন করা হয়েছে। পূর্বের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সাবিহা সুলতানা সরকারি পরিপত্র অনুযায়ী নিয়োগ দিতে চাইলে তাকে সরিয়ে জৈষ্ঠতা লঙ্ঘন করে সাবেক এমপি ফারুক চৌধুরীর সভা মঞ্চের উপস্থাপক নজরুল ইসলাম কে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে পদায়ন করা হয়। নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হওয়ার পর গভর্নিং বডির সভাপতি সেলিম উদ্দিন কবিরাজ সহ সদস্যরা নিয়োগ দিতে মরিয়া হয়ে পড়েন। সেলিম উদ্দিন কবিরাজ ওই কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দীর্ঘ দিন দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের স্বাক্ষরে তানোর (চাপড়া) মহিলা কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হয়েছিলেন,গভর্নিং বডির সভাপতি সেলিম উদ্দিন কবিরাজ কে একাধিক বার ফোন দেয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি। এ কারণে নিয়োগ স্থগিতের বিষয়ে তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায় নি। তবে নিয়োগ বোর্ড স্থগিতের বিষয়ে নিশ্চিত করে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম জানান, নিয়োগ অনিবার্য কারণে স্থগিত করা হয়েছে। কি কারণে স্থগিত ও প্রার্থীরা এসে পরীক্ষা না নেয়ার বিক্ষোভ বা হট্টগোল এবং সভাপতি নাকি ভাড়াটিয়া লোকজন এনেছিল জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি জরুরি মিটিং করছি বলে দায় সারেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Biggapon

সম্পাদকীয়

প্রকাশক ও সম্পাদক: মোহাঃ সোহানুল হক পারভেজ
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: এম রায়হান আলী

উপদেষ্টা

উপদেষ্টা: মোঃ রুহুল আমিন খন্দকার

আইন উপদেষ্টা : ব্যারিস্টার মোঃ মাহফুজুর রহমান (মিলন) সিনিয়র এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট,

আইন উপদেষ্টা : এ্যাডভোকেট রায়হান কবীর,(পি.পি.) জজ কোর্ট রাজশাহী।

বার্তা বিভাগ

বার্তা সম্পাদক: মোঃ হাফিজুল ইসলাম,

ই-মেইল: jonotarsomoy24@gmail.com,

মোবাইলঃ ০১৭৬১-৮৯৯১১৯, ০১৭৬২-৬৯৬২৭০

প্রধান কার্যালয়

প্রকাশক ও সম্পাদক
মোহাঃ সোহানুল হক পারভেজ

রাজশাহী অফিস: রাণীবাজার, অলোকার মোড়, ঘোড়ামারা, বোয়ালিয়া, রাজশাহী।

Theme Created By ThemesDealer.Com