বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে তানোর সাংবাদিক ক্লাব পরিবারের নৌকা ভ্রমণ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত তানোরে নিজ রড-সিমেন্টের দোকানে যাওয়ার পথে নিখোঁজ মিজানুর রহমান বাদশা,উৎকণ্ঠায় পরিবার! তানোরে ইউএনও মাঠতৎপরতায় এলাকাবাসীর প্রশংসায় নাঈমা খান তানোর বরেন্দ্র অঞ্চলে ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে আগাম সবজি চাষ সাংবাদিকদের নিপীড়নের হাতিয়ার হবে না সাইবার সুরক্ষা আইন রাজশাহী ও নাটোর ২৩ পৌরসভার একটিরও ভাগাড় নেই, বর্জ্য ফেলা হয় যেখানে–সেখানে তানোরে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে উদ্ধার করা হয় তাকে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে গুরুত্ব আরোপ প্রধানমন্ত্রীর চরম দুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি,তানোর-মোহনপুর সংযোগ সড়ক এখন মরণফাঁদ

তানোরে বিল কুমারী বিলের বুকে সোনালী স্বপ্ন, ধান কাটার অপেক্ষায় কৃষক

Reporter Name / ১২৭
আপডেট : বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:০৫ পূর্বাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টার:রাজশাহীর তানোর উপজেলার বিল কুমারী বিলের বুক এখন সবুজ আর সোনালী ধানের শীষে ভরপুর। দিগন্তজোড়া ধানের সমারোহে বিলপাড়ের হাজারো কৃষক এখন নতুন স্বপ্নে বিভোর। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই বিলে শুরু হবে বোরো ধান কাটার উৎসব। তবে কৃষকের চোখেমুখে হাসির ঝিলিক থাকলেও ধানের দরপতন ও মৎস্যজীবীদের মানবেতর জীবনযাপন নিয়ে বিরাজ করছে দুশ্চিন্তা।উপজেলা কৃষি অফিস ও স্থানীয় কৃষকদের সূত্রে জানা গেছে, এবারে বিলে রোগবালাই ও পোকা-মাকড়ের উপদ্রব খুবই কম ছিল। সেচ ও বিদ্যুতের কোনো ঘাটতি না থাকায় এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ধানের ফলন চমৎকার হয়েছে। কৃষকদের মতে, বিলের নিজস্ব এক বিঘা জমিতে ধান চাষে খরচ হয়েছে ১৬ থেকে ১৭ হাজার টাকা। আর যারা লিজ নিয়ে চাষ করেছেন, তাদের বিঘাপ্রতি খরচ পড়েছে ২২ থেকে ২৪ হাজার টাকা। বিলে বিঘাপ্রতি ২৫ থেকে ৩০ মণ ফলন পাওয়ার আশা করছেন চাষিরা।বাম্পার ফলন হলেও কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে ধানের বর্তমান বাজার দর। কৃষকরা জানান, গত কয়েকদিনে ধানের দাম মণপ্রতি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা কমে গেছে। মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতার কারণে জ্বালানি তেলের সংকটে পরিবহন ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হওয়ায় ধানের বাজারে মন্দাভাব দেখা দিয়েছে। এছাড়া বৈরী আবহাওয়া ও ঝড়ের আতঙ্ক তো রয়েছেই।বিলের বুকে যখন কৃষকের সোনালী স্বপ্ন দুলছে, তখন বিলে পানি না থাকায় চরম সংকটে পড়েছেন হাজারো মৎস্যজীবী পরিবার। বিলের মূল অভয়াশ্রম অংশেও পানি নেই। ফলে গত দেড় মাস ধরে বিলে কোনো মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। মৎস্যজীবী রফিকুল ও আফজাল জানান, তারা পুরোপুরি বিলের মাছের ওপর নির্ভরশীল। এখন মাছ না থাকায় এনজিওর কিস্তি ও পরিবারের অন্ন সংস্থান করতে তারা হিমশিম খাচ্ছেন।পৌরসভার বিএস আকবর আলী জানান, ধানে পাক ধরেছে এবং কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। উপজেলা কৃষি অফিসার সাইফুল্লাহ আহম্মেদ জানান, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ১৪ হাজার ১৩০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষ হয়েছে। কৃষকরা কাঙ্ক্ষিত ফলন পাবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।





আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Biggapon

সম্পাদকীয়

প্রকাশক ও সম্পাদক: মোহাঃ সোহানুল হক পারভেজ
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: এম রায়হান আলী

উপদেষ্টা

উপদেষ্টা: মোঃ রুহুল আমিন খন্দকার

আইন উপদেষ্টা : ব্যারিস্টার মোঃ মাহফুজুর রহমান (মিলন) সিনিয়র এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট,

আইন উপদেষ্টা : এ্যাডভোকেট রায়হান কবীর,(পি.পি.) জজ কোর্ট রাজশাহী।

বার্তা বিভাগ

বার্তা সম্পাদক: মোঃ হাফিজুল ইসলাম,

ই-মেইল: jonotarsomoy24@gmail.com,

মোবাইলঃ ০১৭৬১-৮৯৯১১৯, ০১৭৬২-৬৯৬২৭০

প্রধান কার্যালয়

প্রকাশক ও সম্পাদক
মোহাঃ সোহানুল হক পারভেজ

রাজশাহী অফিস: রাণীবাজার, অলোকার মোড়, ঘোড়ামারা, বোয়ালিয়া, রাজশাহী।

Theme Created By ThemesDealer.Com