বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে তানোর সাংবাদিক ক্লাব পরিবারের নৌকা ভ্রমণ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত তানোরে নিজ রড-সিমেন্টের দোকানে যাওয়ার পথে নিখোঁজ মিজানুর রহমান বাদশা,উৎকণ্ঠায় পরিবার! তানোরে ইউএনও মাঠতৎপরতায় এলাকাবাসীর প্রশংসায় নাঈমা খান তানোর বরেন্দ্র অঞ্চলে ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে আগাম সবজি চাষ সাংবাদিকদের নিপীড়নের হাতিয়ার হবে না সাইবার সুরক্ষা আইন রাজশাহী ও নাটোর ২৩ পৌরসভার একটিরও ভাগাড় নেই, বর্জ্য ফেলা হয় যেখানে–সেখানে তানোরে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে উদ্ধার করা হয় তাকে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে গুরুত্ব আরোপ প্রধানমন্ত্রীর চরম দুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি,তানোর-মোহনপুর সংযোগ সড়ক এখন মরণফাঁদ

তানোরে শিক্ষার্থীদের জলাবদ্ধতায় চরম ভোগান্তি

Reporter Name / ৪
আপডেট : শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬, ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টার:সামান্য বৃষ্টি হলেই হাঁটু পানি, কোমরপানিসহ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় রাজশাহীর তানোর পৌর সদর সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চলাচলের একমাত্র রাস্তাটিতে। পৌরসভা প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ অবস্থা চললেও কোনো গুরুত্ব নেই কর্তৃপক্ষের। চলতি মৌসুমে বৃষ্টির পানিতে কখনো হাঁটু পানি আবার কখনো কোমর পানি হয়ে থাকে রাস্তাটি।এত গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা হলেও চরম উদাসীন পৌর কর্তৃপক্ষ। শুধু মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা না, হিন্দুপাড়াগ্ৰামসহ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তি নিয়ে জলাবদ্ধতার মধ্যে স্কুল করতে বাধ্য হচ্ছে। ফলে দ্রুত সময়ের মধ্যে সংস্কারসহ ড্রেনেজ ব্যবস্থা চালু করে পানি নিষ্কাশনের জোর দাবি তুলেছেন। নচেৎ শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সাধারণ জনসাধারণ মানববন্ধনসহ পৌর কর বন্ধের কথা ভাবছেন।সরেজমিনে দেখা যায়, থানা মোড় থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে ও পৌরসভা থেকে পশ্চিম দিকে সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়। থানা মোড় ও পৌরসভার মূল রাস্তা থেকে নিচু রাস্তা স্কুলে যাওয়ার। পৌরসভা প্রতিষ্ঠার পর থেকে একবার রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণ করা হয়। নির্মাণের পর থেকে রাস্তা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার কোনো সংস্কার করা হয়নি।যার কারণে সামান্য বৃষ্টি হলে হাঁটু পানি ও ভারী বৃষ্টি হলে কোমর পানি জমে থাকে রাস্তায়। রাস্তার পূর্ব দিকে প্রয়াত শামসুদ্দিন মাস্টারের বাড়ি, রয়েছে দুটি চায়ের দোকান। পশ্চিমে একটি চা স্টল ও দুটি মুদি দোকান। ভারী বৃষ্টি হলে ড্রেন ওভারফ্লো হয়ে দোকানের ভেতরে পানি চলে যায়। স্কুলের রাস্তা শুরু হয় নেপালের দোকান থেকে। নেপালের দোকান থেকে স্কুল গেট পর্যন্ত হয় প্রচুর জলাবদ্ধতা।শিক্ষকরা জানান, পৌর কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার বলার পরেও রাস্তাটির কোনো ব্যবস্থা হয় না। বৃষ্টি হলেই স্কুলে আসতে চায় না শিক্ষার্থীরা। স্কুলে আসা-যাওয়ার একটিই রাস্তা। সেই রাস্তায় কখনো হাঁটু পানি আবার কখনো কোমরসমান পানি জমে থাকে। যতক্ষণ পানি না কমে, ততক্ষণ বাড়ি যেতে পারে না। আবার পানি হলে স্কুলে আসতে চায় না শিক্ষার্থীরা। সদরের প্রতিষ্ঠানের রাস্তার যদি এ অবস্থা হয়, তাহলে কী বলার আছে—বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন অভিভাবকরা।কোমলমতি শিক্ষার্থীরা জানান, পানি হলেই রাস্তা দিয়ে হাঁটা যায় না। রাস্তায় পানি থাকে অনেক। রাস্তায় হাঁটলেই পড়ে যেতে হয়। জামাকাপড়, বইখাতা ভিজে যায়। আবার অনেকে ড্রেনের গর্তে পড়ে যায়। রাস্তার পানি স্কুলের গেট দিয়ে মাঠে ঢুকে পড়ে। সদরের স্কুলের রাস্তা কেন এমন হবে—বলেও আক্ষেপ প্রকাশ করেন তারা।সূত্র জানায়, নেপালের দোকান থেকে হিন্দুপাড়া সুজনের দোকান পর্যন্ত রাস্তায় জলাবদ্ধতা ও ড্রেনের পচা কাদায় ভরা। সুজনের দোকান থেকে পূর্ব দিকের মন্দির পর্যন্ত এবং সেখান থেকে হিন্দুপাড়ার ভেতর দিয়ে তানোরপাড়া প্রয়াত কচিমের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তায় জলাবদ্ধতা এবং কাদায় ভরপুর।স্কুল রাস্তা সংলগ্ন দোকানি মান্নান, নেপাল, বিলাশ, বিপুল, অনন্তসহ অনেকে জানান, চলতি মৌসুমের বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা দূর করার জন্য নামমাত্র ভাঙা ইট ও যতসামান্য বালু দেওয়া হয়। সপ্তাহ না যেতেই অনেক জায়গার ইট সরে গেছে। রাস্তাটা অনেক নিচু। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা বাড়ি যাওয়ার সময় জামাকাপড় ভিজে যায়, অনেকে পড়ে যায়।অভিভাবকরা জানান, স্কুল থেকে পৌরসভা, উপজেলা কয়েক গজ দূরে। তারপরও তাদের নজরে আসে না। এখন মেয়র নাই, ইউএনও প্রশাসক। তারপরও যদি দুর্ভোগ দূর না হয়, তাহলে কী বলার আছে। তার সন্তান তো এ স্কুলে পড়ে না, পড়লে বুঝতে পারত। তিনি নিজেও তো এসে পরিদর্শন করেন না।সূত্র জানায়, নেপালের দোকান থেকে হিন্দুপাড়া সুজনের দোকান পর্যন্ত রাস্তায় জলাবদ্ধতা ও ড্রেনের পচা কাদায় ভরা। সুজনের দোকান থেকে পূর্ব দিকের মন্দির পর্যন্ত এবং সেখান থেকে হিন্দুপাড়ার ভেতর দিয়ে তানোরপাড়া প্রয়াত কচিমের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তায় জলাবদ্ধতা এবং কাদায় ভরপুর।স্কুল রাস্তা সংলগ্ন দোকানি মান্নান, নেপাল, বিলাশ, বিপুল, অনন্তসহ অনেকে জানান, চলতি মৌসুমের বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা দূর করার জন্য নামমাত্র ভাঙা ইট ও যতসামান্য বালু দেওয়া হয়। সপ্তাহ না যেতেই অনেক জায়গার ইট সরে গেছে। রাস্তাটা অনেক নিচু। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা বাড়ি যাওয়ার সময় জামাকাপড় ভিজে যায়, অনেকে পড়ে যায়।অভিভাবকরা জানান, স্কুল থেকে পৌরসভা, উপজেলা কয়েক গজ দূরে। তারপরও তাদের নজরে আসে না। এখন মেয়র নাই, ইউএনও প্রশাসক। তারপরও যদি দুর্ভোগ দূর না হয়, তাহলে কী বলার আছে। তার সন্তান তো এ স্কুলে পড়ে না, পড়লে বুঝতে পারত। তিনি নিজেও তো এসে পরিদর্শন করেন না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Biggapon

সম্পাদকীয়

প্রকাশক ও সম্পাদক: মোহাঃ সোহানুল হক পারভেজ
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: এম রায়হান আলী

উপদেষ্টা

উপদেষ্টা: মোঃ রুহুল আমিন খন্দকার

আইন উপদেষ্টা : ব্যারিস্টার মোঃ মাহফুজুর রহমান (মিলন) সিনিয়র এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট,

আইন উপদেষ্টা : এ্যাডভোকেট রায়হান কবীর,(পি.পি.) জজ কোর্ট রাজশাহী।

বার্তা বিভাগ

বার্তা সম্পাদক: মোঃ হাফিজুল ইসলাম,

ই-মেইল: jonotarsomoy24@gmail.com,

মোবাইলঃ ০১৭৬১-৮৯৯১১৯, ০১৭৬২-৬৯৬২৭০

প্রধান কার্যালয়

প্রকাশক ও সম্পাদক
মোহাঃ সোহানুল হক পারভেজ

রাজশাহী অফিস: রাণীবাজার, অলোকার মোড়, ঘোড়ামারা, বোয়ালিয়া, রাজশাহী।

Theme Created By ThemesDealer.Com