স্পোর্টস রিপোর্টার: সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রান পাহাড় টপকে জয়ের হাসি হাসলো রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। তাওহীদ হৃদয়ের আক্ষেপ জাগানিয়া ৯৭ রানের ইনিংসকে ম্লান করে দিয়ে ৫ বল হাতে রেখেই ৭ উইকেটের বড় জয় তুলে নেয় রাজশাহী। এবারের বিপিএলে উত্তরবঙ্গের এই দুই দলের লড়াইয়ে দ্বিতীয়বারের মতো শেষ হাসি হাসলো তারা। এর আগে ১ জানুয়ারির দেখায় রংপুরের বিপক্ষে সুপার ওভারে জিতেছিল নাজমুল হোসেন শান্ত’র দল। ১৭৯ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ১৩ রানেই ওপেনার তানজিদ হাসানকে হারিয়েছিল রাজশাহী। তবে সেই ধাক্কা টেরই পেতে দেননি নাজমুল হোসেন ও মুহাম্মদ ওয়াসিম। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে এই দুজনে যোগ করেন মহামূল্যবান ১৪৩ রান। নাজমুল ৪২ বলে ৭৬ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে সাজঘরে ফিরলেও আরব আমিরাতের ব্যাটার ওয়াসিম ছিলেন অবিচল। ৫৯ বলে ৭টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৮৭ রান করে অপরাজিত থেকেই মাঠ ছাড়েন তিনি। শেষ ওভারের প্রথম বলে নাহিদ রানার কাছ থেকে প্রয়োজনীয় ১ রান নিয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন ওয়াসিম। ৪টি ছক্কা ও ৬টি চারে নাজমুলের ইনিংসটিও ছিল দর্শনীয়।এর আগে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৪ উইকেটে ১৭৮ রান সংগ্রহ করে রংপুর রাইডার্স। ইনিংসের প্রায় পুরোটাই ছিল তাওহীদ হৃদয়ের নিয়ন্ত্রণে। মাত্র ৩ রানের জন্য সেঞ্চুরি না পাওয়ার আক্ষেপ নিয়ে অপরাজিত থাকেন তিনি (৯৭*)। তাঁকে যোগ্য সঙ্গ দেওয়া খুশদিল শাহ করেন ৪৪ রান। তবে বোলারদের ব্যর্থতায় হৃদয়ের এই অনবদ্য ইনিংসটি দিনশেষে কেবল হারের সান্ত্বনা হয়েই রইলো। এই জয়ের পর ৭ ম্যাচে ৫ জয় নিয়ে পয়েন্ট তালিকার দ্বিতীয় স্থানে উঠে এলো রাজশাহী। সমান ম্যাচে ৪ জয় ও ৩ হারে ৮ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে অবস্থান করছে রংপুর। টানা দুই ম্যাচে হেরে টুর্নামেন্টের মাঝপথে কিছুটা ব্যাকফুটে চলে গেলো নুরুল হাসান সোহানের দল।








