জাতীয় পার্টির নির্বাচনে অংশগ্রহণ কেন অবৈধ নয়
স্টাফ রিপোর্টার: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি (এরশাদ), জাতীয় পার্টির একাংশ (আনিসুল ইসলাম মাহমুদ) এবং জেপির আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বাধীন জোট জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের (এনডিএফ) প্রার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট। রোববার বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল ও বিচারপতি আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে এ রুল দেন। রুলে আইনসচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের দুই সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে আইনজীবী এ এস এম শাহরিয়ার কবির শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক।জাতীয় পার্টি (এরশাদ), জাতীয় পার্টির একাংশ এবং জেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএফের প্রার্থীদের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখার নির্দেশনা চেয়ে গত ৪ জানুয়ারি রিটটি দায়ের করেন আবদুল্লাহ আল মাহমুদ। তিনি রিটে নিজেকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ও সক্রিয় কর্মী হিসেবে উল্লেখ করেন।রিটে বলা হয়, গত বছরের ১২ মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে। ওই প্রজ্ঞাপন লঙ্ঘন করে জাতীয় পার্টি ও এনডিএফের প্রার্থীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া হয়েছে। রিটে আরও দাবি করা হয়, জাতীয় পার্টি (এরশাদ), জাতীয় পার্টির একাংশ ও জেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএফ এবং বর্তমানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও তাদের জোটভুক্ত স্বতন্ত্র প্রার্থীদের দাখিল করা সব মনোনয়নপত্র বাতিলে নির্দেশ দেয়া হোক।এর আগে গত ২৬ ডিসেম্বর জাতীয় পার্টির জি এম কাদেরের নেতৃত্বাধীন অংশ ২৪৩ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে। অন্যদিকে ২৩ ডিসেম্বর জাতীয় পার্টির একাংশ ও জেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএফ ১২২ আসনে ১৩২ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে। ৯ ডিসেম্বর আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বে ১৮ দল নিয়ে গঠিত হয় এনডিএফ। রিটকারীর আইনজীবীর যুক্তি, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় মহাজোট জাতিসংঘের প্রতিবেদনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত হিসেবে উল্লেখিত। ওই জোটে থাকা জাতীয় পার্টিসহ সংশ্লিষ্ট দলগুলো সংবিধানের ৬৬(২)(ঙ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচনের অযোগ্য হতে পারে।







